এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > চাকরিপ্রার্থীই আবার ইন্টারভিউ বোর্ডে! এবিভিপির নেতাকে ঘিরে সরগরম রাজনীতি!

চাকরিপ্রার্থীই আবার ইন্টারভিউ বোর্ডে! এবিভিপির নেতাকে ঘিরে সরগরম রাজনীতি!


যিনি চাকরিপ্রার্থী তিনিই ইন্টারভিউবোর্ডে রয়েছেন।নেহেরু যুব কেন্দ্রের ভলান্টিয়ার নিয়োগের ইন্টারভিউ বোর্ডে এবিভিপির পুরুলিয়া জেলা প্রমুখের থাকা এবং সেই ইন্টারভিউয়ে সেই এবিভিপি জেলা প্রমুখের আবেদন ঘিরে এখন তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, ঝালদার রাজেশ রায় নামে একজন তৃণমূল কর্মী তার ফেসবুকে একটি তালিকা এবং পুরুলিয়া জেলা এবিভিপির প্রমুখ রহিদাস মাহাতোর একটি ছবি দিয়ে পোস্ট করেন যে, রহিদাস মাহাতো এবছরের নেহেরু যুব কল্যাণ কেন্দ্রের ইয়ুথ ভলেন্টিয়ার নিয়োগের ইন্টারভিউ নেওয়ার কমিটিতে ছিলেন।

এমনকি সেই ব্যক্তি নিজের জন্য একই পদে আবেদন করেও কাজ পেয়েছেন। আর এরপরই সেই তৃণমূল কর্মী গোটা ঘটনায় সোচ্চার হয়ে বলেন, বেকার ছেলেদের নিয়ে মজা করা পুরুলিয়ার বেকার ছেলেরা মেনে নেবে না। গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি। আর তৃণমূল কর্মীর এই ফেসবুক পোস্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তীব্র বিতর্ক শুরু হয়।

এদিন এই প্রসঙ্গে ছাত্রব্লকের জেলা সম্পাদক মুকেশ দাস বলেন, “গোটা জেলার পাশাপাশি ঝালদা 1 ব্লকের শতাধিক যুবক ইন্টারভিউ দিয়েছেন। অনেকেরই ইন্টারভিউ ওই এবিভিপি নেতা নিয়েছে। ইন্টারভিউ বোর্ডের সদস্য নিজে কি করে কাজ পেতে পারে! এটা প্রহসন ছাড়া আর কিছু নয়। বিজেপি নেতাদের এর জবাব দিতে হবে।” কিন্তু কেন এমনটা করা হল! যিনি ইন্টারভিউয়ে রয়েছেন, তাকে কেন চাকরি দেওয়া হল!

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে নেহেরু যুব কেন্দ্র তৎকালীন জেলা কো-অর্ডিনেটর শঙ্কর চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমি বর্তমানে পুরুলিয়া থেকে বদলি হয়ে গিয়েছি। তবে সেই সময় পুরুলিয়ায় ছিলাম। মার্চ মাসে ইন্টারভিউ হওয়ার কথা থাকলেও ভোট আসায় তা পিছিয়ে যায়। ইন্টারভিউবোর্ডে থাকার জন্য দিল্লি থেকে জ্যোতির্ময় মাহাতো এবং সৌম্য রায় নামে দুজনের নাম আসলে ওই দুজনের সঙ্গে আমরা মিলিয়ে তিনজনের ইন্টারভিউ নেওয়ার কথা ছিল।” তবে স্থানীয় সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো তার প্রতিনিধি হিসেবে সেই এবিভিপি নেতা রহিদাস মাহাতোর নাম দেন বলে অভিযোগ শঙ্কর বাবুর।

তবে রহিদাস মাহাতো ইন্টারভিউ বোর্ডে থাকলেও তিনি সেই ভাবে কাউকে কোনো প্রশ্ন ধরেননি এবং পরবর্তীতে তিনি নিজেও ইন্টারভিউ দিয়েছেন বলে জানান তৎকালীন জেলা কো অডিনেটর শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু ইন্টারভিউবোর্ডে না থাকলে তার চাকরি পাওয়া নিয়ে কোনো বিতর্ক থাকতো না। কিন্তু যেখানে তিনি ইন্টারভিউবোর্ডে রয়েছেন, সেখানে তিনি কি করে আবেদন করলেন! আর কি করেই বা চাকরি পেলেন! তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই তো স্বাভাবিক।

তবে এই প্রসঙ্গে গোটা বিষয়টি নিয়ে পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোকে প্রশ্ন করা হলেও তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান। তবে এই ব্যাপারে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা সেই এবিভিপি নেতা রহিদাস মাহাতো বলেন, “আমার বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা প্রচার করা হচ্ছে। নেহেরু যুব কেন্দ্র ভলান্টিয়ার নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলাম, একথা সত্যি‌। কিন্তু আমি ইন্টারভিউবোর্ডে ছিলেন না। এনিয়ে খবর করার আগে ভেবে চিন্তে খবর করবেন। নিয়োগ তালিকায় আমার নাম আছে কিনা, তা আমি জানি না।”

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!