এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > ভোট প্রচার কর্মসূচিতে বেরিয়েও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব পিছু ছাড়ছে না তৃণমূলের

ভোট প্রচার কর্মসূচিতে বেরিয়েও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব পিছু ছাড়ছে না তৃণমূলের

নির্বাচনী নির্ঘন্ট প্রকাশের দুদিনের মধ্যে ৪২ টি আসনেরই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল। তারপরই ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার কর্মসূচিতেও নেমে গিয়েছে। সেইসঙ্গে জোরকদমে চলছে দেওয়াল লিখনের কাজও। কিন্তু এই প্রচার কর্মসূচি নিয়েই এদিন শাসকদলের আভ্যন্তরীন মনোমালিন্য প্রকাশ্যে এল। তৃণমূলের সভা এবং মিছিলে আমন্ত্রণ না পাওয়ায় লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী নাম দেওয়ালে না লিখে অসন্তোষ জাহির করলেন তৃণমূল কর্মীদের একাংশ।

ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরায়। দলীয় প্রচারের জন্যে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেই দেওয়ালে চুনকাম করার কাজ শুরু করেছিলেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। কিন্তু চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর ও গুসকরার তৃণমূলের কর্মীসমর্থকদের একাংশ দেওয়াল লিখনে অংশ না নেওয়ার ঘটনাটি নজরে এসেছে পূর্ব বর্ধমানের ঘাসফুল শিবিরের।

তৃণমূল সূত্রের খবর,আউশগ্রাম বিধানসভার গুসকরা এলাকাটি বীরভূমের বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। দিন দুয়েক আগেও আউশগ্রাম বিধানসভায় কর্মী সম্মেলন করেন বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এরপর গুসকরা শহরের কলেজ মাঠে আউশগ্রাম-১ নম্বর ব্লকে দলীয় কর্মীদের নিয়েও সম্মেলন করেন অনুব্রত। এই কর্মী সম্মলনে গুসকরা পৌরসভার বেশ কয়েকজন প্রাক্তন কাউন্সিলর অংশ নেননি বলে জানা গিয়েছে। এরপর থেকেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দিতে থাকে।

হাতের মুঠোয় আরও সহজে প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে যোগ দিন –

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এ প্রসঙ্গে অভিযোগের সুর চড়িয়ে গুসকরা পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর রাখি মাঝি বলেন,”আমরা তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে দেওয়াল লিখনের জন্য ইতিমধ্যেই চুনকাম করার কাজ করে ফেলেছি। কিছুদিন আগে তৃণমূল কর্মী সম্মেলন হয়েছিল। সেখানে বেশ কয়েকজন প্রাক্তন কাউন্সিলরকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। আমরা তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সেই স্বীকৃতিটাই দল আমাদের দিচ্ছে না। এতে অপমানিত বোধ করছি।” একই অভিযোগ শোনা যায় তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর মল্লিকা চোংদার গলাতেও। তিনি বলেন,”দলীয় মিটিং মিছিলে আমাদের ডাকা হচ্ছে না, সম্মান দেওয়া হচ্ছে না। তাই দেওয়াল লিখন কেন করব ? তাই আমরা চুপ করে বসে আছি।”

তৃণমূলের শক্তি শিবির বীরভূম। জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের দাপটের কারণে এই জেলা রাজনৈতিকমহলে ‘অনুব্রত গড়’ নামেও বিশেষভাবে পরিচিত। লোকসভা নির্বাচনে প্রস্তুতির প্রাথমিক পর্ব থেকেই জেলায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের মুখে ছাই দেওয়ার কড়া দাওয়াই দিয়ে আসছেন বীরভূমের এই হেভিওয়েট নেতা। তা সত্ত্বেও নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পরেও প্রচার কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এবার গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এল। এই অবস্থায় তৃণমূল কাউন্সিলরের মানভঞ্জন করতে অনুব্রত মণ্ডল কোন পদক্ষেপ নেন এখন সেটাই দেখার!

Top
error: Content is protected !!