এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির

বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির

সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে জনসংযোগের অভাব এবং দুর্নীতির জন্য তৃণমূলের খারাপ ফলাফল হওয়া যেমন অন্যতম কারণ ছিল, ঠিক তেমনই দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলকে অনেকটাই ডুবিয়ে দিয়েছিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। যার ফল গেরুয়া শিবির নিজেদের ঘরে তুলতে পেরেছে।

কিন্তু বিজেপি লোকসভা নির্বাচনে ভালো ফল করলেও এবার তাদের মধ্যেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হওয়ায় আশঙ্কার মেঘ দেখতে শুরু করল রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

সূত্রের খবর, বুধবার বিজেপির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গণ্ডগোলের ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়াল কাকসায়। জানা যায়, এদিন পানাগড় গ্রামে একটি অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দল থেকে প্রচুর লোকজনের বিজেপিতে যোগদানের কথা ছিল। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর সময় সেই গ্রামের বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থক মঞ্চের সামনে এসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাদের দাবি যে, এই দলবদল প্রক্রিয়া হলেও তারা এর কিছুই জানেন না। আর এতেই শুরু হয় তীব্র চাঞ্চল্য।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা মানস তিওয়ারি বলেন, “আমরা সিপিএম-তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই করে সংগঠন তৈরি করেছি। যাদের হাতে আমরা মার খেয়েছি, এখন তাদেরই দলে নেওয়া হচ্ছে। আমরা এই কারণ জানতে চেয়েছি। কিন্তু আমাদের ওপর আক্রমণ নেমে এসেছে।”

জানা গেছে, বিজেপির এদিনের এই সভায় চরম গন্ডগোল হওয়ায় পাঁচ বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন। তবে বিজেপির কিছু কর্মীরা এই ব্যাপারে স্থানীয় নেতৃত্বের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুললেও তা কার্যত অস্বীকার করেন বিজেপি নেতা রমন বাবু। এদিন তিনি বলেন, “সারা রাজ্যেই এখন বিজেপিতে যোগদান চলছে। এখানেও তেমন অনুষ্ঠান করা হয়েছে। সিপিএম-তৃণমূল যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানটি বানচালের চেষ্টা করছে।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতকাল তৃণমূলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব হলেও তারা সমস্ত দোষ চাপাত বিজেপি এবং সিপিএমের উপর। আর এখন বিজেপির প্রভাব বাড়ায় সেই বিজেপিতে আদি বনাম নব্যের লড়াই শুরু হয় এবং এদিন কাঁকসায় সেই লড়াই চরম আকার ধারণ করায় বিজেপি নেতৃত্ব সেই বিদ্রোহী কর্মীদেরকে বিরোধী দলের তকমাই দিয়ে দিল। যা রাজনীতিতে সত্যিই বেমানান বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!