এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মাদার-যুবর তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ভেঙে গুঁড়িয়ে গেল শাসকদলের পার্টি অফিস, খোদ কলকাতার বুকেই

মাদার-যুবর তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ভেঙে গুঁড়িয়ে গেল শাসকদলের পার্টি অফিস, খোদ কলকাতার বুকেই

দলের কোর কমিটির মঞ্চ হোক বা এমনি জনসভা – প্রায় সব জায়গা থেকেই দলীয় নেতাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বন্ধ করার নির্দেশ দেন দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু নেত্রীর সেই নির্দেশ যে নিচুস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে এখনও পৌঁছয়নি তা ফের প্রমাণ হয়ে গেল বেনিয়াপুকুরের গন্ডগোলে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের মূল সংগঠন বনাম যুব সংগঠনের লড়াইকে ঘিরে উত্তপ্ত হচ্ছে বিভিন্ন এলাকা। আর এবার লোকসভা ভোটের ঠিক আগ দিয়ে সেই একই ঘটনায় জড়িয়ে পড়ল শাসকদলের দুই সংগঠন।

সূত্রের খবর, গত সোমবার রাতে বেনিয়াপুকুরের একটি দোকানে ফিরোজ, সুরজ ও ইন্দ্রজিত নামে তিন যুবক ডিম ভাজা খাচ্ছিলেন। আর এই সময়ে সেই দোকানের কাছে হাজির হয় সাহেব ও তাঁর দলবল। শুরু হয় একে অপরের বিরুদ্ধে টিপ্পনি কাটা। আর এরপরই ধীরে ধীরে তা হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা পরিস্থিতি। আতঙ্কিত এলাকাবাসীরা ভীত,সন্ত্রস্ত হয়ে নিজেদের ঘরে ঢুকে পড়েন।

এদিকে এই পরিস্থিতিকে শান্ত করতে ঘটনাস্থলে এসে পুলিশ দুপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে এই ঘটনায় মোট তিন জনকে গ্রেপ্তার করে। তবে রাতের মত উত্তেজনাকর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও ফের মঙ্গলবার সকালে শুরু হয় গন্ডগোল। জানা যায়, এদিন সকালে তৃণমূলের মাদার এবং যুব এই গোষ্ঠীর গন্ডগোলে তৃণমূলের একটি কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। কিন্তু শাসক দলের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় গোটা পরিস্থিতিকে শান্ত করতে এলাকায় বসানো হয় পুলিশ পিকেট। কিন্তু ঠিক কে বা কারা এই গণ্ডগোলের সাথে যুক্ত ছিলেন?

 

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

তাহলে কি এর পেছনে রয়েছে শাসকদলেরই দলীয় কোন্দল? একাংশের মতে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় কার প্রভাব বেশি থাকবে তা নিয়ে তৃণমূলের মূল সংগঠন এবং যুব সংগঠনের মধ্যে তীব্র চাপানউতোরের সৃষ্টি হয়েছিল। আর সেই ঘটনার বহিঃপ্রকাশে এদিন তৃণমূলের মূল সংগঠনের সাথে যুব সংগঠনের এই গন্ডগোল বাধে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

কিন্তু নেত্রীর নির্দেশ সত্ত্বেও কেন বারবার দলের কর্মীরা একে অপরের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছেন? এদিন এই প্রসঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক স্বর্নকমল সাহা বলেন, “দলের পার্টি অফিস কারা ভাঙচুর করল তা পুলিশকে দেখতে বলেছি। তবে বিজেপির প্রভাবেই এই ঘটনা ঘটেছে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যে এলাকায় তৃণমূলের এত রমরমা সেখানে বিজেপির মতো বিরোধী দল ঠিক কিভাবে শাসকদলের দলীয় অফিসে ঢুকে ভাঙচুর করতে পারেন! তাহলে কি এতে শাসকদলেরই দুর্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে না! প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!