এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পঞ্চায়েতের দখল নিয়ে তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাদার-যুবর, অস্বীকার তৃণমূল জেলা সভাপতির

পঞ্চায়েতের দখল নিয়ে তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাদার-যুবর, অস্বীকার তৃণমূল জেলা সভাপতির

তৃণমূল এবং তৃণমূল যুব একটাই সংগঠন। এদের মধ্যে কোনরূপ ভেদাভেদ বরদাস্ত করা হবে না বলে বারংবার দলের তরফে কড়া বার্তা দিলেও তা যে নিচুতলার কর্মীদের কানে পৌঁছচ্ছে না তা ফের প্রমাণ হয়ে গেল দক্ষিণ 24 পরগনার বাসন্তীর জোতিষপুর গ্রামে। ক্ষমতা বড়ই সম্পদ আর তাকে ছাড়তে যে রাজি নয় কোনো পক্ষই তা প্রমাণ করতে সংঘর্ষে লিপ্ত হল শাসকদলের মূল এবং যুব সংগঠনের দুই গোষ্ঠী।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই বাসন্তীর 14 আসন বিশিষ্ট জ্যোতিষপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে কার হাতে ঠিক ক্ষমতা যাবে সেই নিয়ে তৃণমূল এবং যুব এই দুই সংগঠনের মধ্যে প্রথম থেকেই তীব্র বিরোধের সৃষ্টি হয়। আর যার জেরে বাজিমাত করে বিজেপি। 14 টির মধ্যে ছয়টি আসন নিজেদের দখলে রাখে গেরুয়া শিবির।

অন্যদিকে বাকি আটটির মধ্যে পাঁচটি তৃণমূল যুব এবং তিনটি শাসকদলের মূল সংগঠনের দখলে আসে। এদিকে দলের মধ্যে এই দুই গোষ্ঠীর বিবাদ বোর্ড হারাতে পারে বলে শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সর্তকতা জারি করলে অবশেষে তৃণমূল এবং যুবর সদস্যরা এক হয়ে বোর্ড গঠন করে। কিন্তু সমস্যা থেকে যায় প্রধান পদ নিয়ে। জানা যায়, এবারে এই পঞ্চায়েতের প্রধানের পদটি আদিবাসী মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। আর সেইখানে মূল সংগঠনের থেকে এক আদিবাসী মহিলাকে প্রধান করা হয়।

অন্যদিকে এই প্রধান পদ নিয়ে ছড়ি ঘোরাতে শুরু করে যুব সংগঠনও। আর এরপরেই যুবর এই বাড়বাড়ন্ত আটকাতে মূল সংগঠনের ব্লক নেতৃত্ব যুব সংগঠনকে ভাঙ্গিয়ে দুজনকে তাদের দখলে নিয়ে আসে। ফলে শাসক দলের মূল সংগঠন কিছুটা শক্তিশালী হয়ে যুবর ওপর চাপ সৃষ্টি করলে গতকাল পাল্টা সেই জ্যোতিষপুর পঞ্চায়েতের সামনে মূল সংগঠনের বিরুদ্ধে একটি সভার আয়োজন করে যুব তৃনমূলের সদস্যরা। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শুরু হয় ব্যাপক উত্তেজনা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

সূত্রের খবর, মূল সংগঠন এবং যুব সংগঠনের এই লড়াইয়ে এদিন আহত হন মোট চারজন ব্যক্তি। অন্য দিকে অশান্তি থামাতে এদিন দুইজনকে গ্রেপ্তারও করে পুলিশ। তবে এই সংঘর্ষের ঘটনায় তৃণমূল এবং যুবর সদস্যরা একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনলেও এর সঙ্গে রাজনীতির কোন যোগ নেই বলে এদিন দাবি করেন দক্ষিণ 24 পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী।পঞ্চায়েতের দখল নিয়ে তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাদার-যুবর, অস্বীকার তৃণমূল জেলা সভাপতির তবে জেলা তৃণমূল সভাপতি যাই বলুক না কেন পঞ্চায়েতের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা ঠিক কার হাতে থাকবে তা নিয়ে যেভাবে সংঘর্ষে লিপ্ত হল শাসক দলেরই দুই সংগঠন তা নিঃসন্দেহে চিন্তা বাড়াচ্ছে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!