এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পরোক্ষে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেনে নিয়ে সিপিএম জামানার অত্যাচার বন্ধ করে বিজেপিকে রোখার আবেদন মানস ভূঁইয়ার

পরোক্ষে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেনে নিয়ে সিপিএম জামানার অত্যাচার বন্ধ করে বিজেপিকে রোখার আবেদন মানস ভূঁইয়ার

২০১১ সালে সিপিআইএমকে হটিয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায় রাজ্যের ক্ষমতায় আসেন। যখন রাজ্যের ক্ষমতায় তৃণমূল আসে তখন রাজ্যের প্রধান বিরোধী ছিল সিপিআইএম। কিন্তু যত দিন গেছে ততই ক্রমশ ক্ষয়েছে শক্তি।
তারপর ২০১৬ সালের নির্বাচনে ফের বিশাল সংখ্যক ভোট পেয়ে রাজ্যের শাসনভার গ্রহণ করে তৃণমূল সরকার। দ্বিতীয় স্থানে চলে আসে কংগ্রেস। মোটে ৩ টি আসন পেয়েছিলো বিজেপি।

কিন্তু যত দিন গেছে নিজেদের শক্তি রাজ্যে বৃদ্ধি করেছে বিজেপি। আর এখন প্রধান বিরোধী দল হিসাবে রাজ্যে বিচারণ করছে গেরুয়া শিবির।এর মধ্যেই নানা দলবদলের খেলা দেখা গেছে রাজ্যে। তেমনি এক ঘোর কংগ্রেস নেতা মানস ভূঁইয়া তাঁর পুরানো দল ছেড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে সামিল হতে তাঁর দলে নাম লিখিয়েছেন। তৃণমূলের টিকিট এ তিনি এখন রাজ্যসভার সংসদ ও।

আর তিনিও এখন পুরোপুরি বিরোধী-বিরোধী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে সুর মিলিয়ে এদিন তিনি সবংয়ের ভেমুয়ায় দলের এক সভায় কর্মীদের “আমাদের ভুল বোঝাবুঝি, বিভেদের সুযোগ নিচ্ছে বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস” এই ভাষায় রাজ্যের রাজ্যের তিনটি বিরোধী দলকে একত্রে আক্রমণ করলেন। সাথেই তিনি কর্মীদের কাছে সবিনয়ে জানান যে, আপনাদের জোড়হাত করে বলছি, সব ভুলে এক হয়ে কাজ করুন। মনে রাখবেন, আমাদের একজনই নেত্রী। তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

সাথেই কর্মীদের উদ্দেশ্যে তাঁর পরামর্শ যে “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি বুকে নিয়ে ব্রিগেড সমাবেশের মিছিল করুন। আর বিভেদ, বিতর্ক নয়। চলুন বিজেপিকে তাড়াতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করি।”

প্রসঙ্গত, এই ভেমুয়ায় বুধবার রাতে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে বাঁধে। যাতে বেশ কয়েকজন জখম হন। স্থানীয়দের দাবি গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এদিন মানসবাবু সেই গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের তথ্যকে পরোক্ষে স্বীকার করে  এই সংঘর্ষের জন্য বিজেপি, সিপিআইএম এবং কংগ্রেসকে দায়ী করে বলেন যে, বিজেপি নামে একটি দল সিপিএমের মদতে, কংগ্রেসের দুর্বলতায় শাখা প্রশাখা বিস্তার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আঘাত করার চেষ্টা শুরু করেছে। এটা আমরা কোনওভাবেই হতে দেব না। তৈরি থাকতে হবে-সতর্ক থাকতে হবে।

সাথেই সিপিআইএম এর সময়ের কুশাসনকে মনে করিয়ে দিয়ে বলেন যে, সিপিএমের আমলে এই এলাকা অনেক অত্যাচার হয়েছে। অনেক রক্ত ঝরেছে। সাথেই তাঁর দাবি যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র উন্নয়ন করেন। আর এই এলাকায় উন্নয়নে জোর দিতে হবে। সবাই মিলে বসে পরিকল্পনা করে প্রতিটি মানুষের কাছে উন্নয়ন পৌঁছে দিতে হবে। তাই মমতা বান্দ্যোপাধ্যায়কেই বাছতে হবে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!