এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > আগামী সপ্তাহেই আরও শক্তিশালী হতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা – জানুন বিস্তারিত

আগামী সপ্তাহেই আরও শক্তিশালী হতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা – জানুন বিস্তারিত


২০১৯ – প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছে এক উল্লেখযোগ্য বছর। বিভিন্ন ইস্যুতে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা চালাতে পারে বিদেশী শক্তি বলে মনে করা হচ্ছে। আর তাই, দেশের সুরক্ষা জোরদার করতে একের পর এক বড়সড় পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে কেন্দ্র সরকার। আর সেই লক্ষ্যেই এবার শক্তি বাড়তে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনার। বায়ুসেনায় যুক্ত হচ্ছে এবার অ্যাপাচে এএইচ-৬৪ই(আই) হেলিকপ্টার বলে সূত্রের খবর।

মাঝে মাত্র কয়েকদিন আর তারপরেই আগামী ৩ রা সেপ্টেম্বর পাঠানকোট বায়ুসেনা ঘাঁটিতে বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ভারতের বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্তি হতে চলেছে হেলফায়ার ও স্ট্রিঙ্গার ক্ষেপণাস্ত্রে সুসজ্জিত মার্কিন প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক অ্যাপাচে এএইচ-৬৪ই(আই) হেলিকপ্টার বলে জানা গেছে। আর এর ফলে, এবার আকাশপথে শত্রুদের ওপর হামলা আরও সহজ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত, এ পর্যন্ত ২২ টি অ্যাপাচে হেলিকপ্টার কেনার চুক্তি হয় ২০১৫ সালে ভারতের সাথে মার্কিন প্রতিরক্ষা সংস্থা বোয়িংয়ের। ইতিমধ্যে ৮ টি অ্যাপাচে হেলিকপ্টার ভারতে এসে পৌঁছে গেছে। বাকিগুলি আশা করা হচ্ছে ২০২০ এর মধ্যে ভারতে চলে আসবে। আর এই শক্তিবৃদ্ধিতে ভারতের খরচ হচ্ছে প্রায় ১১০ কোটি মার্কিন ডলার যা ভারতীয় মুদ্রায় ৭ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকারও বেশি।

উল্লেখ্য, ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীতে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার মার্কিনি হেলিকপ্টারের অন্তর্ভুক্তি হল। এর আগে ভারতীয় বায়ুসেনায় পরিবহণে সাহায্যকারী হিসাবে এই বোয়িং সংস্থাকেই বানাতে দেওয়া হয়েছিল ১৫ টি চিনুক সিএইচ-৪৭এফ(আই) হেলিকপ্টার। যার মধ্যে ৪ টি চিনুক হেলিকপ্টার ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছে। এর আগে ভারতীয় বায়ুসেনায় পরিবহণের কাজে ব্যবহার করা হত সোভিয়েত প্রযুক্তিতে তৈরি এমআই-২৬ কপ্টার।

কিন্তু এই বিমানচুক্তি নিয়েও রাফাল চুক্তির মতো কম জলঘোলা হয়নি। গত ফেব্রুয়ারি মাসে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) র দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে যে, সবার অজান্তে অ্যাপাচে হেলিকপ্টারের কিছু সরঞ্জাম বদলে ফেলা হয়েছে বোয়িং সংস্থার পরামর্শে। কিন্তু প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, যা যা পরিবর্তন হয়েছে তা শুধুমাত্র বায়ুসেনাদের চাহিদার কথা ভেবেই হয়েছে। তবে মনে করা হচ্ছে অ্যাপাচে কপ্টার বায়ুসেনায় যোগ হওয়ার ফলে বায়ুসেনাদের শক্তি বেশ কয়েকগুণ বেড়ে গেল, যা নিশ্চিতভাবেই চাপ বাড়াবে শত্রুমনোভাবাপন্ন দেশগুলির।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!