এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > এবার ভারতবর্ষের সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্য “ক্ষতিকারক” হিসেবে সংবাদমাধ্যমের দিকে আঙুল তুললেন সুব্রত বক্সী

এবার ভারতবর্ষের সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্য “ক্ষতিকারক” হিসেবে সংবাদমাধ্যমের দিকে আঙুল তুললেন সুব্রত বক্সী

গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ বলেই পরিচিত সংবাদমাধ্যম। আর এবার লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজার সাথে সাথেই যখন শাসক-বিরোধী তরজায় উত্তাল রাজ্য রাজনীতি, ঠিক তখনই সংবাদমাধ্যমের একাংশকে দায়ী করে খবরের শিরোনামে চলে আসলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি।

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বালা ঠাকুরের সমর্থনে বাগদায় একটি কর্মী সভায় উপস্থিত হন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। যেখানে সুব্রতবাবুর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন উত্তর 24 পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বাগদা বিধানসভার তৃণমূলের পর্যবেক্ষক শংকর আঢ্য, প্রার্থী মমতাবালা ঠাকুর সহ অন্যান্যরা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

আর সেখানেই বক্তব্য রাখতে উঠে সুব্রত বক্সি বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে বাংলায় লোকসভা নির্বাচনের যত দফা বেড়েছে, ততই তৃণমূলের আসন বেড়েছে। এতে ভীতসন্ত্রস্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এক দফায় নির্বাচনে একটা সাংসদ, 2009 তিন দফায় নির্বাচনে 19 টা সাংসদ, 2014 তে পাঁচ দফায় নির্বাচনের 34 টা সাংসদ আর এবার নির্বাচন কমিশনই সাত দফায় নির্বাচন করে আমাদের 42 এ 42 করে দেবে।”

আর এরপরই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিভিন্ন সংস্থার তরফে তৃণমূল কংগ্রেস কত আসন পাবে তা নিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি সংবাদমাধ্যম সমীক্ষা প্রকাশ করলে এদিন সেই ব্যাপারে কিছুটা তোপ দেগে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি বলেন, “ভারতবর্ষের সংসদীয় গণতন্ত্রে যদি সব থেকে বেশি কেউ ক্ষতিকারক হয়ে থাকে, তাহলে তা হল দেশের সংবাদমাধ্যম।”

অন্যদিকে নাম না করে দুলাল বরকে এদিনের সভায় থেকে এক হাত নিতে দেখা যায় উত্তর 24 পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। এদিন তিনি বলেন, “অনেকে তৃণমূলে থেকে রাজনীতি শিখেছেন। আজকে গদ্দারদের কোনো স্থান নেই। বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে 7 টা বিধানসভার মধ্যে বাগদা থেকেই তৃণমূল প্রার্থী রেকর্ড ভোটে জয়ী হবেন।”

সব মিলিয়ে এবার বনগাঁর সভা থেকে সংবাদমাধ্যমকে ক্ষতিকারক বলে আখ্যা দিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুব্রত বক্সি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!