এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > এ কোন ভারতবর্ষ! পুত্রের কর্তব্য কন্যারা করে একঘরে হতে হল পঞ্চায়েতের নিদানে

এ কোন ভারতবর্ষ! পুত্রের কর্তব্য কন্যারা করে একঘরে হতে হল পঞ্চায়েতের নিদানে

লিঙ্গবৈষম্যের জন্য চিরবিখ্যাত রাজস্থান। এই রাজ্যে মেয়েদের অবস্থা এককথায় শোচনীয়। প্রায়ই শোনা যায় শিশু ও মহিলাদের ওপর নানা অত্যাচারের কথা। এবার এক নতুন বৈষম্যের শিকার হলেন সেখানকার মহিলারা। পুত্র সন্তান না থাকলে বাবা মায়ের শেষ কৃত্যে অংশগ্রহন করতে পারেন না মেয়েরা। অন্তত সেই রকমই বক্তব্য সেখানকার খাপ পঞ্চায়েতের।

ঘটনার সূত্রপাত রাজস্থানের বুন্দি জেলায়। সেখানকার রাগের কলোনির বাসিন্দা দুর্গাশংকরের অবলম্বন বলতে ছিলেন চার মেয়ে। দীর্ঘদিন ধরেই অসুখে ভুগছিলেন তিনি। শনিবার রাতে মারা যান বছর আটান্নর দুর্গাশংকর। অপুত্রক ওই ব্যক্তির ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর পর চার মেয়ের কাঁধে করেই শ্মশানে যাবেন তিনি।রবিবার বিকেলে বাবাকে কাঁধে করে শ্মশানে নিয়ে যান তাঁরা। কিন্তু শেষকৃত্য মিটতে না মিটতেই বিপাকে পড়েছেন দুর্গাশংকরের মেয়েরা।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।

বাবার ‘ইচ্ছাপূরণ’-এর অপরাধে এই পরিবারটিকে একঘরে করে দেওয়ার নিদান দেয় খাপ পঞ্চায়েত। দুর্গাশংকরের বড় মেয়ে মিনা জানান এই অশৌচকালীন সময়ে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে যে সামাজিক সাহায্য আসার কথা তা তো দূর অস্ত উলটে তাঁদের বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় উপায়গুলি যাতে তাঁরা না পান সেই ব্যাবস্থা করা হচ্ছে। তাঁদের মা সবার কাছে ক্ষমা চাইলেও তাতে বরফ গলেনি।

বুন্দি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান মদু লাল দাবি করেন, খাপ পঞ্চায়েতের সদস্যদের কাছে তিনিও ক্ষমা চেয়েছেন কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি। কমিউনিটি প্রধান চন্দদুলাল চান্ডেলিয়া বলেছন ওই সময় তিনি শহরে ছিলেন না তাই কি হয়েছে তিনি বলতে পারবেন না। তবে তিনি এই কাজের বিরুদ্ধে যাননি বলেই জানান।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!