এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > লোকসভা নির্বাচনেও ‘রাস্তায় বিরোধীদের উন্নয়ন’ দেখতে অনুব্রত মণ্ডলের হাতে রুপো ও বাসের পাচন অনুগামীদের

লোকসভা নির্বাচনেও ‘রাস্তায় বিরোধীদের উন্নয়ন’ দেখতে অনুব্রত মণ্ডলের হাতে রুপো ও বাসের পাচন অনুগামীদের

এতদিন নিজের বক্তব্যে পাচনের কথা বলে বাজিমাত করেছিলেন তিনি। কিন্তু বাস্তবে সেই পাচন জিনিসটা কি তা দেখিনি কেউই। তবে এবারে সেই বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের হাতেই প্রতীকী রুপোর পাচন ও বাসের আসল পাচন তুলে দিলেন তাঁরই দলের অন্যতম কর্মী তথা মুরারই 2 ব্লকের তৃণমূল সভাপতি আফতাবউদ্দিন মল্লিক।

সূত্রের খবর, আগামী 19 শে জানুয়ারি কলকাতায় বিগ্রেড সমাবেশের প্রচারে মুরারই 2 ব্লকে একটি সভা করেন অনুব্রত মণ্ডল। আর সেখানেই তাঁর হাতেই পাচন তুলে দেওয়া হয়। আর এরপরই বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “সুন্দর পাচন, যা চাষ হবে না, যা দাওয়াই দেবো না, সেটা সময় বলবে। ঘরে গিয়ে বলবে, কি সুন্দর চাষ করেছে।”

এদিকে এদিনের সভা থেকে বিজেপিকেও কড়া ভাষায় কটাক্ষ করেন বীরভূমের এই তৃনমূল সভাপতি। বিজেপির রথযাত্রার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের আষাঢ় মাসে রথযাত্রা হয়। আর এখন মৃত্যুযাত্রা হচ্ছে। ওরা রথযাত্রা করতেই পারল না। এত ভয় কিসের! আসলে মানুষ ওদের সঙ্গে নেই। এই জেলায় রথযাত্রা করে কোনো লাভ হবে না।”

এদিকে রাম মন্দির নিয়েও এদিন মুখ খোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রিয় কেষ্ট। অযোধ্যায় রাম মন্দির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অযোধ্যায় রাম মন্দির হবে কিনা সেটা ওখানকার রাজার ব্যাপার। আর রাম তো আমাদের ঘরে ঘরে। রাম মন্দিরের এত প্রয়োজন কিসের?”

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে 2019 সালের পর কেন্দ্রে বিজেপি নামক দল থাকবে না বলেও এদিন জানিয়ে দেন তিনি। তবে শুধু বিরোধী দল বিজেপিকে হুঁশিয়ারিই নয়, এদিনের সভা থেকে দলীয় কর্মীদেরকেও সতর্ক করে দেন বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি।

সূত্রের খবর, এদিনের সভায় বক্তব্য রাখার সময় মঞ্চের সামনে পাইকারের বাসিন্দা হারু খাঁ মোবাইলে একটি ছবি দেখিয়ে ব্লক তৃণমূল নেতার দুর্নীতি প্রতিবাদ করায় শিসফুল শেখ নামে এক তৃনমূল কর্মীকে কেস দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ জানান। আর এরপরই অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “আমি ত্রিদিবের কাছ থেকে সব শুনে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেব।”

অন্যদিকে মানুষকে যাতে সঠিক সময়ে পরিষেবা দেওয়া যায় এবং কোন রকম দুর্নীতি যে এই ব্যাপারে বরদাস্ত করা হবে না এইদিন সেই ব্যাপারেও দলীয় নেতা কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বীরভূম জেলা তৃনমূলের সভাপতি বলেন, “প্রধানদের বলছি মানুষকে পরিষেবা দেবেন। ভালো ব্যবহার করবেন। লাল চোখ দেখাবেন না। তাহলে কিন্তু আমি ছেড়ে কথা বলবো না।”

সব মিলিয়ে এক দিকে ব্রিগেড সমাবেশে জেলা থেকে রেকর্ড সংখ্যক মানুষ নিয়ে যাওয়ার আহ্বান আর অন্যদিকে হাতে পাচন নিয়ে একদিকে বিরোধী আর অন্যদিকে দলীয় কর্মীদের সতর্ক করলেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।

Top
error: Content is protected !!