এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > হাইকোর্টের নির্দেশে বোর্ড গঠন হওয়ার মুখে ফের বাধা, জেনে নিন

হাইকোর্টের নির্দেশে বোর্ড গঠন হওয়ার মুখে ফের বাধা, জেনে নিন

অবশেষে নানা টালবাহানার পর ভাঙড় 2 ব্লকের পোলেরহাট 2 গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন হতে চলেছে। জানা গেছে, বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এখানকার 16 টি আসনের মধ্যে তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় আটটি আসন জিতলেও বাকি আটটি আসনে শাসকদলের সাথে জমি রক্ষা কমিটি সমর্থিত নির্দল প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। আর সেখানেই সেই আটটির মধ্যে জমি রক্ষা কমিটি সমর্থিত নির্দল প্রার্থীরা পাঁচটি এবং তৃণমূল তিনটি আসন পায়।

এদিকে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হলেও সেখানে বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া এতদিন সম্পন্ন হচ্ছিল না। তৃণমূলের অভিযোগ ছিল যে, জমি রক্ষা কমিটির বাধাতেই এই পঞ্চায়েতে তারা বোর্ড গঠন করতে পারছে না। আর এর পরই সেখানে বোর্ড গঠনের জন্য আরাবুল ইসলাম ঘনিষ্ঠ পঞ্চায়েত সদস্য লিয়াকত বৈদ্য গত 24 শে জুন হাইকোর্টে একটি আবেদন করেন। আর এর পরিপ্রেক্ষিতেই এবার এই ব্যাপারে রায় দিল হাইকোর্ট।

সূত্রের খবর, আগামী 31 জুলাই এই পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের জন্য হাইকোর্টের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই নির্দেশিকা ভাঙ্গড় 2 ব্লকের বিডিও কৌশিক কুমার মাইতি সেই পঞ্চায়েতের 16 জন সদস্যের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এদিকে হাইকোর্টের রায়ে সবুজ সংকেত পেয়ে কিছুটা হলেও উজ্জীবিত ঘাসফুল শিবির।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে আরাবুল ইসলামের ছেলে তথা এই পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান হাকিমুল ইসলাম বলেন, “পঞ্চায়েতে আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও জমি কমিটি এলাকায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি করে এই বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়াকে বন্ধ করে রেখেছিল। বোর্ড গঠন না হওয়ায় এলাকার মানুষ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই হাইকোর্টের এই রায়কে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।”

অন্যদিকে হাইকোর্টের রায়ে ডিভিশন বেঞ্চে যাওয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছেন জমি কমিটির মুখপাত্র অলীক চক্রবর্তী। এদিন তিনি বলেন, “আমরা এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছি। ডিভিশন বেঞ্চ যে রায় দেবে, আমরা তা মাথা পেতে নেব।”

কিন্তু হাইকোর্টের রায়ে তৃণমূল যে কিছুটা হলেও ওই বোর্ড গঠনের জন্য স্বস্তি পেয়েছে তা নিঃসন্দেহে বলাই যায়। তবে ডিভিশন বেঞ্চে জমি কমিটির সদস্যরা যাওয়ায় এখন ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে তৃণমূলের সেই স্বস্তি কতটা অটুট থাকে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
ট্যাগড
Top