এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > উত্তরবঙ্গের মন্দির ধরে ধরে পর্যটন হাব? জল্পনা উস্কে দিচ্ছেন খোদ হেভিওয়েট মন্ত্রী

উত্তরবঙ্গের মন্দির ধরে ধরে পর্যটন হাব? জল্পনা উস্কে দিচ্ছেন খোদ হেভিওয়েট মন্ত্রী

 

দক্ষরাজের অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও পার্বতী মহাদেবকে বিবাহ করেছিলেন। আর এরপরই মেয়ে তার অমতে বিবাহ করায় জামাই দেবাদিদেব মহাদেবকে চাপে রাখার জন্য শিবহীন যজ্ঞ করেন দক্ষরাজ। এদিকে স্বামীর অপমান সহ্য করতে না পেরে বাবার করা যজ্ঞের আগুনে আত্মাহুতি দেন পার্বতী। আর এরপরই চরম অপমানিত হয়ে সতীর দেহ কাঁধে নিয়ে প্রলয় নৃত্য শুরু করেন ভগবান শিব।

কথিত আছে, সেই সময়ে মহাদেবের এই প্রলয় নৃত্যকে থামাতে ভগবান বিষ্ণু সুদর্শন চক্র প্রয়োগ করেন। আর এরপরই সতীর দেহের 51 টি খন্ডে বিভক্ত হয়ে বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। জানা যায়, জলপাইগুড়ি জেলার বোদাগঞ্জের ভ্রামরীদেবীর মন্দির বলে যে জায়গা বিখ্যাত, সেইখানে সতীর বাঁ-পায়ের একটি অংশ পড়েছিল। এতদিন এই সতীপীঠ অবহেলার শিকার হলেও এবার সেই জায়গা উন্নতিকরণে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার।

সূত্রের খবর, রবিবার এই ভ্রামরীদেবীর মন্দির প্রাঙ্গণে ভোজনালয় সহ একটি অভ্যর্থনা কক্ষের উদ্বোধন করেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। তবে শুধু ভোজনালয়ের উদ্বোধনই নয়, ভবিষ্যতে এই পর্যটন কেন্দ্রকে রাজ্যের মানচিত্রে অনন্য রূপে ঠাই দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের নানা পরিকল্পনার কথাও জানিয়ে দেন মন্ত্রী।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, এদিনের এই নতুন ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী গৌতম দেবের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা বর্মন, রাজগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়, রাজগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা দাস সহ অন্যান্যরা।

এদিন এই নতুন ভবন উদ্বোধন করে গৌতম দেব বলেন, “আমরা 3 কোটি 44 লক্ষ টাকা ব্যয় করে প্রথম দফায় ভোজনালয় সহ অভ্যর্থনা কক্ষ তৈরি করলাম। রাতে যাতে এখানে এসে পর্যটকরা থাকতে পারেন, সেজন্য কালীমন্দিরে 100 জন থাকার উপযুক্ত ডরমেটরি পরবর্তী ধাপে করা হবে। মন্দির চত্বরে সৌন্দর্যের জন্য বাগান করা হবে। আমাদের দপ্তর এর জন্য আরও দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ করছে।”

আর উত্তরবঙ্গে মন্দিরের উন্নতির মধ্যে দিয়ে পর্যটন মানচিত্রে নতুন বিকাশ ঘটানোর কথা পর্যটনমন্ত্রী বললে প্রবল আশা তৈরি হয়েছে উত্তরবঙ্গের মানুষের মধ্যে। এদিন এই প্রসঙ্গে রাজগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায় বলেন, “এই অঞ্চলে ধর্মীয় স্থান সহ অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলিকে নিয়ে আমাদের সরকার পর্যটন সার্কিট গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এটি তারই একটি অঙ্গ বলা যেতে পারে।”

একইভাবে এই মন্দিরকে ঘিরে বিপুল পর্যটন মানচিত্র তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন জলপাইগুড়ি ট্যুর অপারেটর্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সব্যসাচী রায়। সব মিলিয়ে এবার উত্তরবঙ্গের ভ্রামরীদেবী মন্দিরের ভোজনালয় ও অভ্যর্থনা কক্ষ তৈরি করে সেই জায়গাকে দর্শনীয় করে তুললেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!