এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার কোচবিহারের আকাশসীমা ছাড়াতেই ফের প্রকাশ্যে শুরু গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার কোচবিহারের আকাশসীমা ছাড়াতেই ফের প্রকাশ্যে শুরু গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

 

তৃনমূল দলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই সব। তাঁর নির্দেশ অমান্য করার মত ক্ষমতা কারোর নেই। তবে একটা দিক থেকে দলের ছোটো, বড়, মেজো নেতাদের নিজের নির্দেশ মানাতে পারছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেটা হল দলের কোন্দল। দলের বিভিন্ন মিটিংয়ে বারবার বিভিন্ন জেলা তৃণমূল নেতাদের গোষ্ঠী কোন্দল না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই নির্দেশ নেতাকর্মীরা তো মানেনই নি। উল্টে যতদিন গিয়েছে, ততই দলের গোষ্ঠী কোন্দল বেড়েছে। যার ফলে সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে ফল খারাপ হওয়ার পেছনে এটাও অন্যতম কারণ বলে দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

আর লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের কারণেই যে উত্তরবঙ্গের কোচবিহারের শাসকদলের এই পরাজয় ঘটেছে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত প্রায় প্রত্যেকেই। এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি কোচবিহারে এসে কর্মীসভায় সকলকে এক হয়ে চলার বার্তা দেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

যেখানে তিনি বলেন, “তৃণমূলে কেউ নেতা নন। নেতা হল ঘাসফুল।” আর নেত্রীর এই বার্তার পর জেলার সমস্ত নেতারা এক বাক্যে মাথা নাড়লেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোচবিহার ছাড়ার সাথে সাথেই সেখানে চোখে পড়ল গোষ্ঠী কোন্দল। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বেলা বারোটা নাগাদ কোচবিহার সার্কিট হাউস থেকে বেরিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে করতে স্টেডিয়ামে অস্থায়ী হেলিপ্যাডের কাছে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে কোচবিহার জেলায় তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে দুই থেকে তিন মিনিট কথা বলেন তিনি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন এখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি বিনয়কৃষ্ণ বর্মন, কার্যকরী সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়, যুব তৃনমূলের সভাপতি বিষ্নুব্রত বর্মন, মহিলা তৃণমূলের সভাপতি সুচিস্মিতা দেবশর্মা, ভূষণ সিংহ, আব্দুল জলিল আহমেদ, অভিজিৎ দে ভৌমিক এবং তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি। আর দক্ষিণ দিনাজপুরে আসবার আগে দলের নেতাদের দুই থেকে তিন মিনিট বেশ কিছু পরামর্শ দিয়ে হেলিকপ্টারে করে গঙ্গারামপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর আশ্চর্যজনকভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেলিকপ্টার করে গঙ্গারামপুরে রওনা দেওয়ার সাথে সাথেই ফের কোচবিহার জেলা তৃণমূলের নেতারা গোষ্ঠী কোন্দলে জড়িয়ে পড়েন। জানা যায়, এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চলে যাওয়ার সাথে সাথেই ফেসবুকে জেলা তৃণমূল নেতাদের একে অপরের সঙ্গে লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাকে কতটা বকুনি দিয়েছেন, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যই সার। আদতে তার দলের নেতারা তার কোনো কথাই শুনছেন না। আর তাই তো নিজেদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চলে যাওয়ার সাথে সাথেই নেতারা আবার তাদের বিবাদ শুরু করে দিয়েছেন। যার ফলে দল সুরক্ষিত থাকা তো দূর অস্ত, উল্টে আরও বিপাকে পড়তে পারে বলেই মনে করছে একাংশও। যদিও বা জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, দলে কোনো গোষ্ঠী কোন্দল নেই।

নেত্রীর নির্দেশ মেনে সকলে মিলে একসঙ্গেই কাজ করবেন। তবে তৃণমূল নেতারা যে কথাই বলুক না কেন, নেত্রী চলে যাওয়ার সাথে সাথে ফেসবুকের এই বিবাদ বাস্তবে কতটা সুদুরপ্রসারী হয় এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল এখানে কতটা বিপাকে পড়ে, সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!