এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > পুজো শেষ হয়ে গেলেও হারিয়ে যাওয়া জনভীতি ফেরাতে বিজয়ার শুভেচ্ছাই ভরসা হেভিওয়েট মন্ত্রী

পুজো শেষ হয়ে গেলেও হারিয়ে যাওয়া জনভীতি ফেরাতে বিজয়ার শুভেচ্ছাই ভরসা হেভিওয়েট মন্ত্রী

কমবেশি প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলেরই লক্ষ্য থাকে নির্বাচনে জয় লাভ করা। আর নির্বাচনে জয়লাভ করতে হলে জনসংযোগ যে অত্যন্ত জরুরি, তা ক্ষমতার স্বার্থে মাঝেমধ্যেই বেমালুম ভুলে যান নেতা-মন্ত্রীরা। কিন্তু যদি কোনো রাজ্যে বিরোধী শক্তি শক্তিশালী থাকে, তাহলে হয়ত সাধারণ মানুষের প্রতি আরও বেশি করে খেয়াল দিতে দেখা যায় ক্ষমতায় থাকা নেতা-মন্ত্রীদের। বাংলার ক্ষেত্রেও এখন ঠিক তেমনটাই হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে দিনকে দিন তাদের শক্তি বাড়াতে শুরু করেছে গেরুয়া শিবির।

আর তাই পুজোয় জনসংযোগের পর এবার বিজয়াদশমীকে কাজে লাগিয়ে জনসংযোগে নেমে পড়লেন কোচবিহার জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি তথা রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। বস্তুত, প্রতিবারের মতো এবারও কলকাতায় বেশ কয়েকটি পুজোর উদ্বোধন সেরে কোচবিহারে চলে এসেছিলেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা কোচবিহার জেলার নাটাবাড়ির তৃণমূল বিধায়ক।

পুজোর সময় জেলার প্রায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপে প্রতিমা দর্শন করতে গিয়ে জনসংযোগ করেছেন তিনি। কিন্তু পুজো শেষ, তাই বলে যে জনসংযোগে খামতি থাকবে, এমনটা হতে দিতে রাজি নন মন্ত্রীমশাই। যার কারণে এবার বিজয়া উপলক্ষে সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত পার্টি অফিসে পৌঁছে মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করা শুরু করলেন এই তৃণমূল বিধায়ক তথা হেভিওয়েট মন্ত্রী।

বস্তুত, এই কোচবিহার জেলা রাজনীতিতে তৃণমূলের অন্দরে ব্যাপক গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে। লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী পরেশ অধিকারীকে জয়লাভের জন্য এই রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব দিলেও শেষ পর্যন্ত পরেশবাবুকে জয়লাভ করাতে সক্ষম হননি রবিবাবু। তারপরে সেই ভোটে বিপর্যয়ের পর রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে জেলা তৃণমূলের সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে তার জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় বিনয় কৃষ্ণ বর্মনকে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ ঘোষের ঘোর বিরোধী হিসেবে পরিচিত পার্থপ্রতিম রায়কে জেলা তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি করা হয়। যার পরে কিছুটা হলেও কোণঠাসা হয়ে পড়েন সেই রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। কিন্তু এতকিছুর মধ্যেও যাতে জনসংযোগে ভাটা না পড়ে, তার জন্যই এবার নিজের হারানো জমি ফিরে পেতে বিজয়াদশমীকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েতে, পঞ্চায়েতে পৌঁছে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আলাপচারিতা সারছেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী। কিন্তু এতেও কি কাজ হবে! যেভাবে কোচবিহার জেলাজুড়ে বিজেপির দাপট বেড়েছে, তাতে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তিনি কি নিজের আসন বিজেপির গ্রাস থেকে রক্ষা করতে পারবেন! আর তাই কি তার এই অভিনব কর্মসূচি!

এদিন এই প্রসঙ্গে নাটাবাড়ির তৃণমূল বিধায়ক তথা মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন,”কলকাতায় তিনটি পুজোর উদ্বোধন ছেড়ে আমি কোচবিহারে চলে এসেছিলাম। চতুর্থীর দিন থেকে পুজো উদ্বোধন করেছি। পাশাপাশি পুজোর দিনগুলিতে মণ্ডপে গিয়েছি। দশমীতে আমার বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন অঞ্চলের পার্টি অফিসগুলিতে যাচ্ছি। সেখানে বসেই শুভেচ্ছা বিনিময় করছি।” বিশ্লেষকদের মতে, অস্বীকার করার উপায় নেই কোচবিহার জেলা জুড়ে বিজেপির উত্থান। তাই স্বাভাবিকভাবেই এখন থেকেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে নিজের আসন রক্ষা করতে জণসংযোগে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!