এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > হেভিওয়েট পিতার ‘সৌজন্যে’ বরসড় পদ পেয়ে রাজনীতিতে আবির্ভাব হতে চলেছে আরেক ‘ ‘যুবরাজের’?

হেভিওয়েট পিতার ‘সৌজন্যে’ বরসড় পদ পেয়ে রাজনীতিতে আবির্ভাব হতে চলেছে আরেক ‘ ‘যুবরাজের’?

পিতার হাত ধরেই রাজনীতির অঙ্গনে অভিষেক হতে চলেছে পুত্রের। অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে সম্প্রতি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্বে এসেছেন সোমেন মিত্র। এবার নিজের পুত্র রোহনকেও রাজনীতির ময়দানে আনতে উদ্যেগী তিনি। সামনেই প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সাংগঠনিক নির্বাচন। রাজ্যের এই সংগঠনের সভাপতি পদের জন্য লড়তে চলেছেন সোমেন-পুত্র। লড়াই-তে লড়েছেন সদ্দাফ খানও,অধীর চৌধুরীর প্রতিনিধি হিসাবে। বর্তমানে এই পদে রয়েছেন অধীর চৌধুরীর ঘনিষ্ট বিধায়ক আলবিরুণি। সর্বশেষ নির্বাচিত যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি অরিন্দম ভট্টাচার্য তৃনমূলে যোগ দেওয়ার পরই দায়িত্বে আনা হয়েছিল তাকে।

মাস কয়েক আগে ছাত্র পরিষদের (এনএসইউআই) এর সাংগঠনিক নির্বাচনে সভাপতি হন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর ঘনিষ্ট হিসাবে পরিচিত সৌরভ প্রসাদ। সোমদীপ ঘোষকে হারিয়েই এই পদটি পেয়েছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, প্রদেশ কংগ্রেস বরাবরই নিজেদের ঘনিষ্ঠমহলকেই শাখা সংগঠনের দায়িত্বে রাখতে উদ্যোগী। সেই মতো সৌরভ হলেন এনএইইউআই এর সভাপতি আর সোমদীপকে দেওয়া হল সহ-সভাপতির দায়িত্বটি। তবে সংগঠনের গত প্রতিষ্ঠা দিবসেই সভাপতি এবং সহ-সভাপতির নেতৃত্বাধীন দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব বাধে। এমনকি ধস্তাধস্তিও পর্যন্ত হয়ে যায়। এরইমধ্যে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে অপসারণ ঘটে অধীর চৌধুরীর। সোমেন মিত্র দায়িত্বে আসেন। ফলত সোমেন-ঘনিষ্ট সোমদীপ এবং তাঁদের অনুগামীরা খুশির উল্লাসে ভাসেন। ছাত্রসংগঠনের সভাপতির দায়িত্বটি পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন সোমদীপ সোমেন মিত্র ঘনিষ্ট হওয়ায়। ছাত্র সংগঠনের নির্বাচনের পরেই আগামী নভেম্বর মাসের শেষেই রয়েছে সর্ব ভারতীয় যুব কংগ্রেসের নির্বাচন। সেজন্য সদস্যপদ সংগ্রহ নিয়ে কর্ম তৎপরতা তুঙ্গে রয়েছে দলীয় কর্মীদের মধ্যে। আগামী রবিবার অব্দি অনলাইনে সদস্য পদ সংগ্রসের কাজ চলবে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

প্রদেশ কংগ্রেস সূত্রের খবর অনুযায়ী, সোমন-পুত্র রোহন মিত্রের মতো প্রদেশ কংগ্রেসের যুব সভাপতি পদের সঠিক দাবীদার অধীর ঘনিষ্ট সাদ্দাফ হোসেনও। রোহনের পাশাপাশি তাঁর তরফ থেকেও জোর কদমে চলছে সদস্য পদ সংগ্রহের কাজ। কারণ যে যত বেশি সদস্য পদ নিজের দিকে টানতে পারবে,তাঁর ভোটে জয়ের সম্ভাবনা ততো বেশি বেড়ে যাবে। তবে এই নির্বাচনের আগে আকষ্মিকভাবে অধীর চৌধুরীর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে অপসারণ হওয়ার ফলে বাড়তি চাপ হয়ে গিয়েছে সাদ্দাফ ও তাঁর অনুগামীদের। এই সুযোগটাকেই কাজে লাগাবেন বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পুত্র রোহন মিত্র। এমনটাই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। তবে তবে কার দিকে পাল্লা ভারী আছে তা এখনই বোঝা যাচ্ছে না। সদস্য পদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখে আগামীতে অনুমান করা গেলেও এখনই কিছু বলা যাচ্ছে। যদিও আসল খেলাটা হবে নির্বাচনেই। সেদিকেই পাখির চোখ করে আপতত সদস্য পদ সংগ্রহ করার কর্মসূচিতে মন দিয়েছেন দু তরফই।

Top
error: Content is protected !!