এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > হেভিওয়েট সাংসদ সহ ১১ জনের মোবাইল চুরি, জেনে নিন বিস্তারিত

হেভিওয়েট সাংসদ সহ ১১ জনের মোবাইল চুরি, জেনে নিন বিস্তারিত


গত শনিবার প্রয়াত হন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। রবিবার নিগম বোধ ঘাটে যখন সবাই চোখের জলে প্রয়াত মন্ত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে ব্যস্ত, সেসময় চোরও ব্যস্ত ছিল চুরি করতে। অন্তত ১১ জন সাংসদদের ফোন চুরি গিয়েছে। ফোন চুরির তালিকায় আছে আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় থেকে পতঞ্জলির এম জে টিজারাওয়ালা পর্যন্ত।

পরপর ১১ জনের ফোন নিঁখুতভাবে চোর চুরি করে নিল, কিন্তু একজনও কেউ টের পেলেন না। কেন ? প্রশ্ন উঠছে, কোনো চক্র কি এ কাজের সাথে যুক্ত নাকি দলের মধ্যেই কেউ এ কান্ড ঘটিয়েছে ? টুইটারে প্রথম এই ঘটনাটি বিস্তারিত জানান পতঞ্জলির মুখপাত্র এমজে টিজারাওয়ালা। আসানসোলের সাংসদ বাবুলের ফোন চুরির বিষয়টিও তিনি সামনে আনেন।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

তিনি আরও জানান, ‘আমরা তখন অরুণজিকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাচ্ছিলাম। যে ফোনে অরুণজির ছবি তুলেছি, সেটাও আমাকে শেষবারের মতো বিদায় জানিয়ে দিল। খুব দুঃখের ব্যাপারে যে দুষ্কৃতীরা শ্মশানকেও ছাড়ে না। সুযোগ পেলে সেখানেও জিনিসপত্র চুরি করতে নেমে পড়ে।’

এ ব্যাপারে তিনি তার টুইটারটিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও দিল্লী পুলিশকে যুক্ত করে দেনযাতে তাদের নজরে আসে। এখনো পর্যন্ত বাবুলসহ পাঁচটি অভিযোগ থানায় জমা পড়ে। তবে এই ঘটনায় দিল্লী পুলিশও যথেষ্ট চিন্তিত। কারণ নিগম বোধ ঘাটে যথেষ্ট নিরাপত্তার কড়াকড়ি থাকা সত্ত্বেও এতবড় ঘটনা কি করে ঘটে তা বোঝা যাচ্ছেনা। পুলিশ তদন্তে নেমেছে।
দেখা যাক, দিল্লী পুলিশ কত তাড়াতাড়ি এই সমস্যার সমাধান করে চোর ধরতে পারে ও ফোন উদ্ধার করতে পারে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!