এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই কড়া গেরুয়া শিবির! বহিস্কৃত হেভিওয়েট নেতারা

দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই কড়া গেরুয়া শিবির! বহিস্কৃত হেভিওয়েট নেতারা

দুর্নীতিকে যে তারা কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবে নাড় তা বিজেপির সাহসী সিদ্ধান্তে ফের আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল‌। এবার উজ্জ্বলা যোজনা গ্যাস পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে রতুয়া 1 ব্লকের দুই নেতাকে বহিষ্কার করল বিজেপি।

সূত্রের খবর, এই ব্লকের 20 নম্বর মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্রনাথ মন্ডল এবং মহানন্দাটোলা অঞ্চল সভাপতি সঞ্জীব দাসকে দল বিরোধী কাজ, তোলা আদায় সহ বিভিন্ন অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় দলীয় বৈঠকে রেজুলেশন করে এই গোটা বিষয়টি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ডলের বিজেপি সভাপতি অশোক চৌধুরী। আর এই গোটা ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় এবার তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিন এই প্রসঙ্গে অশোক চৌধুরী বলেন, “বহুদিন ধরেই ওই দুই বিজেপি নেতা এলাকায় দল বিরোধী কাজ করছিলেন। বিভিন্ন প্রকল্পে সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছিলেন। আমরা এরকম প্রচুর অভিযোগ পেয়েছি। কিছুদিন আগেই এই ব্যাপারে জেলা নেতৃত্বকে জানিয়েছিলাম। আর তাদেরই নির্দেশে শুক্রবার সন্ধ্যায় মনিন্দ্রনাথ মন্ডল এবং সঞ্জীব দাসকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আমরা গোটা ঘটনা জেলা নেতৃত্বকে জানিয়েছি।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

তবে মন্ডল সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এবং অঞ্চল সভাপতিকে বহিস্কার করতে পারেন কিনা, তা নিয়ে দলের অন্দরে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। এদিন এই ব্যাপারে মালদহ জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক গোপাল সাহা বলেন, “কি রেজুলেশন হয়েছে, তা আমি বলতে পারব না। তবে কাউকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা জেলা বা ব্লক স্তরের নেতাদের নেই। তাই কি হয়েছে, তা আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি।”

এদিকে মন্ডল সভাপতি তাদের বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিলে পাল্টা এই ব্যাপারে সরব হয়েছেন সেই বহিস্কৃত দুই বিজেপি নেতা মনিন্দ্রনাথ মন্ডল এবং সঞ্জীব দাস।এদিন এই প্রসঙ্গে মনিন্দ্রনাথ মন্ডল বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা ভিত্তিহীন। মিটিংয়ে কি হয়েছে আমাকে তা জানানো হয়নি। দলবিরোধী অভিযোগ থাকলে জেলা সিদ্ধান্ত নেবে।”

অন্যদিকে এই ব্যাপারে সঞ্জীব দাস বলেন, “দল বিরোধী কোনো কাজ আমরা করিনি। বৈঠকে কি সিদ্ধান্ত হয়েছে, তাও আমাকে জানানো হয়নি।” তবে বিজেপির তরফে দুর্নীতির অভিযোগে দুই নেতাকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিলে যেভাবে তা নিয়ে বিজেপির অন্দরেই দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে, তাতে পাল্টা গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করেছে তৃণমূল।

এদিন এই প্রসঙ্গে মালদহ জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি সমর মুখোপাধ্যায় বলেন, “বিজেপিতে গোষ্ঠীকোন্দলের পাশাপাশি নেতারা যে দুর্নীতিতে যুক্ত, তা এই ঘটনাই প্রমাণ করে দিচ্ছে। মানুষ এসব মেনে নেবে না।”

Top
error: Content is protected !!