এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > মার্ খেলেন বিজেপির হেভিওয়েট নেত্রী,অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে

মার্ খেলেন বিজেপির হেভিওয়েট নেত্রী,অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে

যত এগিয়ে আসছে লোকসভা ভোট ততই উতপ্ত হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। ভোটের প্রচারে একে অপরকে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে সরগরম ভোটের বাজার। কিন্তু এবার প্রচার সভা ছাপিয়ে ও ভোটের বাক্সে নয় সরাসরি বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষে জড়ালো।

জানা যাচ্ছে আজ বিজেপি ও তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত নৈহাটি। বিজেপি জেলার সভাপতি ফাল্গুনী পাত্রকে মারধোর এবং তাঁর গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এখানেই শেষ নয়, সংঘর্ষের জেরে তৃণমূল ও বিজেপি-র পার্টি অফিসও ভাঙচুড় করা হয়। ঘটনার জেরে থানায় বিক্ষোভ দেখায় বিক্ষোভকারীরা। আর এই সব মিলিয়েই এখন উত্তপ্ত নৈহাটির পরিবেশ।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

বিজেপির দাবি এদিন তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত হন বিজেপি কর্মী ও হালিশহর পৌরসভার ২৩ নং ওয়াডে’র কাউন্সিলর। এই নিয়ে ফাল্গুনী পাত্র অভি্যোগ, করেন যে , স্থানীয় বিজেপী কর্মী সুব্রত দাসের দোকান ভাঙচুর ও মারধোর করে তৃণমূল কর্মীরা।আর এরপরে ফাল্গুনী পাত্রকে দেখতে পেয়ে তাঁদের ওপর চড়াও পরে তৃণমূলে কর্মীরা। এদিকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং।

এদিকে হামলার অভিযোগ নিয়ে বিজেপি কর্মীরা থানায় গেলে বেশ কিছু কর্মীর ওপর তৃণমূল কর্মী তাদের উপর চড়াও হয়। এরপর শুরু হয় হাতাহাতি , আর সেখান থেকেই সংঘর্ষ বাধে দুই দলের মধ্যে। আহত হন দুই পক্ষের ৫ জন কর্মী। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি বিজেপি কর্মীরাই তাদের উপর চড়াও হয় তারা কিছু করে নি। ভোটের আগেই দুই পক্ষের সংঘর্ষ থেকে বোঝাই যাচ্ছে যে লোকসভা ভোটে পারদ আরো চড়বে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!