এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য >  আবার বড় ধাক্কা শিক্ষক মহলে – সহকারী প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ নতুন নিয়মে দীর্ঘায়িত প্রক্রিয়া

 আবার বড় ধাক্কা শিক্ষক মহলে – সহকারী প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ নতুন নিয়মে দীর্ঘায়িত প্রক্রিয়া

শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জটিলতার ইতি টানা যাচ্ছে না কিছুতেই। কোনো না কোনোভাবেই নানান ইস্যু সামনে আসছে। এবার ধাক্কা সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে। স্কুলের পরিচালন সমিতির দায়িত্ব খর্ব করে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের যাবতীয় দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিল স্কুল শিক্ষদপ্তর। এর জেরে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা বাড়বে বলেই মনে করছে শিক্ষামহল।

কারণ আগে শুধুমাত্র জেলা পরিদর্শক অনুমোদন দিলেই সহকারী প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতো। প্রক্রিয়া ছিল সহজ। কিন্তু এবার সেটাতেই জটিলতা বাড়ানো হল। নিয়োগের সমস্ত প্রক্রিয়া মেনে চাকরিপ্রার্থীদের প্যানেল তৈরি করা হবে। সেই প্যানেলের ভিত্তিতেই সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করবে স্কুল শিক্ষা দপ্তর। কাজেই সমস্ত প্রক্রিয়া মেটাতে সময় অনেকটাই বেশি লাগবে বলে মনে করছেন শিক্ষকমহল। রাজ্যসরকারের এই সিদ্ধান্তে রীতিমতো অসন্তুষ্ট তাঁরা।

এই নিয়ম চালু করে ডিআই’র ক্ষমতা খর্ব করল প্রশাসন। কারণ আগে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়াটাই ডি আই-দের অনুমোদনের উপর নির্ভর ছিল। এখন পুরো ব্যাপারটার দায়িত্বই নিজের হাতে নিয়েছে দপ্তর। আগের নিয়মে নির্দেশিত মাত্র একমাস সময়ের মধ্যে জেলা পরিদর্শক বা ডিআইরা সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদে কারা কারা নিযুক্ত হবেন তা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলতেন। নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি সিলেকশন কমিটি তৈরি করতে করা হতো। ইন্টারভিউয়ের পর ওই কমিটি প্যানেল তৈরি করে তুলে দিত স্কুলের পরিচালন সমিতির কাছে৷ সেই তালিকা চলে যেত ডি আই দের দপ্তরে। তারপর মাত্র একমাসের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট জেলা পরিদর্শকরা তাঁদের সিদ্ধান্তটি জানিয়ে দিতেন৷ এভাবেই সারা হতো নিয়োগ প্রক্রিয়া।

কিন্তু এবার থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ডিআই দের সমস্ত দায়িত্ব কেড়ে নেওয়া হল। তাঁরা আর সরাসরি অনুমোদন দিতে পারবেন না। চাকরিপ্রার্থীদের প্যানেল সোজা চলে যাবে স্কুল শিক্ষা দপ্তরে। জেলা পরিদর্শকের অফিস থেকে সেই প্যানেল আসবে স্কুল শিক্ষা ডিরেক্টরেটে। তারাই দপ্তরের কাছে সুপারিশ করবে। তারপর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করবে দপ্তর।

তবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কতদিন সময় লাগবে তা স্পষ্টভাবে জানায়নি স্কুল শিক্ষা দপ্তর। এটাই চিন্তার কারণ হয়েছে শিক্ষকমহলের। কারণ দপ্তরের কাছে প্যানেল যাওয়া মানে তা স্বাভাবিক ভাবে বাড়তি সময় নেবে,জানাই কথা। গড়মসি করায় নিয়োগপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হবে। সেক্ষেত্রে তিন-চার মাসের আগে অনুমোদন কিছুতেই পাওয়া যাবে না বলেই আশঙ্কা শিক্ষকমহলের।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

উল্লেখ্য,দাড়িভিট স্কুলের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনা প্রশাসনের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে স্কুল শিক্ষা দপ্তরের চূড়ান্ত অস্বচ্ছতাকে। আর এই অস্বচ্ছতার দায় এড়াতে রাজ্যসরকার অভিযোগের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে ডি আই’দের। তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ডিআই’দের ক্ষমতা খর্ব করার বিষয়ে। তবে স্কুল শিক্ষা দপ্তরের সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার নতুন নির্দেশিকা সামনে আসায় মাথায় হাত পড়েছে শিক্ষকমহলের। দীপাবলির আগেই চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কপালে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!