এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > নিজের পছন্দমত লোককে চাকরি দিতে গিয়ে গ্রুপ-ডি নিয়োগকেই আইনি জটিলতায় বিশ বাঁও জলে দিল রাজ্য সরকার

নিজের পছন্দমত লোককে চাকরি দিতে গিয়ে গ্রুপ-ডি নিয়োগকেই আইনি জটিলতায় বিশ বাঁও জলে দিল রাজ্য সরকার

এবার রাজ্যের কলেজগুলিতে গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ নিয়ে ক্রমশ বিপাকে পড়ল রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে এই গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আইন পরিবর্তন নিয়ে প্রবল সমস্যা দেখা দিয়েছে। আর এই পরিবর্তিত আইন ঠিক কতটা বৈধতা তা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন ওঠায় বেশ কয়েকটি কলেজে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। আর এবার গতকাল বিচারপতি অরিন্দম সিনহা রাজ্যের আরও তিনটি কলেজ এই গ্রুপ ডি নিয়োগে স্থগিতাদেশ জারি করলেন।

জানা গেছে, মামলাকারীদের আইনজীবী সৌমেন দত্ত গত 2017 র 25 আগস্ট এক সরকারি নির্দেশিকাকে হাতিয়ার করে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া অবৈধ বলে দাবি করেন। তার অভিযোগ যে, এই আইন পরিবর্তন করে গ্রুপ ডি নিয়োগের ক্ষেত্রে কলেজ সার্ভিস কমিশনের এক্তিয়ারকে মান্যতাই দেওয়া হয়নি।

কেননা কলেজগুলি এই গ্রুপ ডি পদে নিয়োগের দায়িত্ব পরিচালন সমিতির হাতে তুলে দেওয়ায় এবং সেখানে কমিশন কোনো হস্তক্ষেপ করতে না পারায় প্রবল দুর্নীতি ও স্বজনপোষনের অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। যার কারণ হিসেবে এই মামলা কারীদের একাংশের বক্তব্য যে, নিয়োগ সম্পর্কিত বিজ্ঞাপনে কম্পিউটার জানা বাধ্যতামূলক নয় বলে জানানো হলেও কম্পিউটার জানা থাকলে ইন্টারভিউয়ের সময় প্রার্থীদের পাঁচ নম্বর দেওয়া হচ্ছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে বিজ্ঞাপনে চাকরিপ্রার্থীদের দুই বছরের কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে বলে যদি কোনো চাকরীপ্রার্থী অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কোনোখানে কাজ করে থাকেন তাহলে তিনি বাড়তি 5 নম্বর পাবেন বলেও জানানো হয়েছে। আর এই নির্দেশিকাকে ঘিরেই তীব্র স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন মামলাকারীরা। আর মামলাকারীদের তরফে বক্তব্য শুনে সেই মামলাকারীদের পক্ষেই রায় দিয়েছে আদালত।

আদালতের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট কলেজগুলির কাছে বিচার প্রার্থনা না করে মামলা দায়ের করার মধ্যে কিছুই ভুল নেই। এমন প্রক্রিয়ার জন্য কেউ যদি চাকরি পাওয়ার সম্ভাব্য সুযোগ হারায় তাহলে তিনি বিচার চাইতেই পারেন। আর এরপরই তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজ, কোচবিহারের শীতলকুচি কলেজ এবং আলিপুরদুয়ারের শহীদ ক্ষুদিরাম কলেজের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করল আদালত। আর আদালতের রায়ে যে অনেকটাই অস্বস্তিতে পড়ল রাজ্য সরকার তা বলাই যায়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!