এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রাজ্য সরকারের বড় ধাক্কা হাইকোর্টে, স্বজনপোষণের অভিযোগে গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগে স্থগিতাদেশ

রাজ্য সরকারের বড় ধাক্কা হাইকোর্টে, স্বজনপোষণের অভিযোগে গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগে স্থগিতাদেশ

এবার রাজ্যের দুই কলেজে গ্রুপ ডি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বজনপোষণের অভিযোগকে গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করে সেই নিয়োগে স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির হরিশ ট্যান্ডনের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের পক্ষ থেকে এই স্থগিতাদেশ জারি করা হয়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাঁকুড়ার শালদিয়া কলেজ এবং কোচবিহার কলেজে 22 টি গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু গত 2017 সালের 25 শে আগস্টের এক সরকারি নির্দেশিকাকে হাতিয়ার করে সেই নিয়োগ-প্রক্রিয়া অবৈধ বলে দাবি করেন মামলাকারী মিঠুরানী দাস এবং নয়ন প্রামাণিকের আইনজীবী সৌমেন দত্ত।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

পাশাপাশি আদালতকে সেই আইনজীবী আরও জানান যে, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার জেরে কলেজ সার্ভিস কমিশনের ক্ষমতাকে খর্ব করা হচ্ছে। এমনকি কলেজ সার্ভিস কমিশন যে সমস্ত আইন দ্বারা পরিচালিত হয় তার একটিকে বেআইনি ভাবে ব্যবহার করে সেই নিয়োগ-প্রক্রিয়ার সমস্ত দায়িত্ব এই দুটি কলেজের পরিচালন কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ জানান সেই আইনজীবী।

এদিকে এই দুই কলেজের নিয়োগের বিজ্ঞাপনে কম্পিউটার জানা বাধ্যতামূলক নয় বলে জানানো হলেও ইন্টারভিউয়ে সেই কম্পিউটারের জন্য রাখা হয়েছে 5 নম্বর। অন্যদিকে চাকরিপ্রার্থীরা যেখানে কাজ করবেন সেখানেই বিগত দুবছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তি জারি হলে সেইখানেও স্বজনপোষণের প্রকট দিকটা উঠে এসেছে বলে অভিযোগ জানান সেই মামলাকারীদের আইনজীবী।

তবে মামলাকারীদের তরফে আদালতের কাছে এনিয়ে দাবি তুললেও কলেজ গুলি অবশ্য তা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানায়। আর অবশেষে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ সেই দুটি কলেজের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করে দিল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!