এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বেতন বৃদ্ধি ও স্থায়ীকরণের দাবিতে এবার সরকারের উপর চাপ বাড়াতে চলেছেন এই কর্মীরা

বেতন বৃদ্ধি ও স্থায়ীকরণের দাবিতে এবার সরকারের উপর চাপ বাড়াতে চলেছেন এই কর্মীরা

ফের বড়সড় অস্বস্তিতে পড়তে হতে পারে রাজ্য সরকারকে। চাকরির পদমর্যাদায় পরিবর্তন, 60 বছর পর্যন্ত কর্ম জীবনের নিশ্চয়তা এবং বেতন বৃদ্ধির দাবিতে এবারের সরকারের দ্বারস্থ হতে চলেছেন রাজ্যের প্রায় সাড়ে তিন হাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের ডেটা এন্ট্রি অপারেটররা।

সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহেই তারা পঞ্চায়েত দপ্তরে ডেপুটেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বস্তুত, বর্তমানে রাজ্যের গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কর্মী ডেটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। জানা যায়, শুধুমাত্র কমিশনের ভিত্তিতে ও অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পে তথ্য নথিভুক্ত করার জন্য 2007-2008 থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস এবং কম্পিউটারে ডিপ্লোমা আছে, এরকম প্রার্থীদের এই পদে নিয়োগ করা হয়েছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদের কাজ হল 100 দিনের কাজ থেকে শুরু করে সমস্ত খরচের হিসাব কম্পিউটারে নথিভুক্ত করা। কিন্তু এক একটি তথ্য বা ডেটা কম্পিউটারে তোলার জন্য তারা মোটে 60 থেকে 65 পয়সা পেতেন। আর মাসের শেষে তাদের হাতে আসত মোট এক থেকে দেড় হাজার টাকা। আর তাই বেতন বৃদ্ধির দাবি সহ আরও বেশ কিছু দাবি নিয়ে এবার রাজ্যের কাছে ডেপুটেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তারা।

এদিন এই প্রসঙ্গে এই সংগঠনের হাওড়া জেলা সম্পাদক দীপঙ্কর ফৌজদার বলেন, “রাজ্য সরকারের বদান্যতায় দীর্ঘদিন পর গত মার্চ মাসে আমাদের বেতন বৃদ্ধি হয়েছে। তাই আমরা সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ। কিন্তু বর্তমানে আমরা এমজিএনআরইজিএ প্রকল্পের অধীনস্থ “ভিলেজ লেভেল এন্টারপ্রোনিওর” হিসেবে নিযুক্ত হয়েছি। আমরা চাই এই পদের নাম পরিবর্তন করে গ্রাম পঞ্চায়েত ডেটা এন্ট্রি অপারেটর করা হোক।

পাশাপাশি আমাদের কর্মজীবনের মেয়াদকাল 60 বছর সুনিশ্চিত এবং বেতন বৃদ্ধির দাবিটাও সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করা হোক।” সব মিলিয়ে এবার বেতন এবং স্থায়ীকরণের দাবিতে রাজ্য সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে পথে রাজ্যের প্রায় সাড়ে তিন হাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের ডেটা এন্ট্রি অপারেটররা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!