এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > গভীর রাতে ‘দুর্নীতির; অভিযোগে গ্রেপ্তার বিজেপি গ্রাম প্রধান! রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ – জেনে নিন বিস্তারিত

গভীর রাতে ‘দুর্নীতির; অভিযোগে গ্রেপ্তার বিজেপি গ্রাম প্রধান! রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ – জেনে নিন বিস্তারিত

এতদিন তৃনমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে সরব হতে দেখা যেত বিজেপিকে। কিন্তু এবার সেই বিজেপির বিরুদ্ধেই উঠল দুর্নীতির অভিযোগ।

সূত্রের খবর, রবিবার গভীর রাতে ধর্মপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রধান বিপুল দাসকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। জানা গেছে, বিপুলবাবুর বিরুদ্ধে আগে থেকেই দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের করা ছিল। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে এদিন পুলিস গ্রেপ্তার করেছে।

এদিন এই প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার ডেন্ডুপ শেরপা বলেন, “নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ওই প্রধানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।” অন্যদিকে এই ব্যাপারে বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি দেবাশিষ চক্রবর্তী দলীয় কর্মীর এই গ্রেপ্তারিকে রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন। এদিকে এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কিষান কল্যাণী বলেন, “আমরা পুলিসকে ব্যবহার করি না। ওই ব্যক্তির নামে নির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল তাই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

ধর্মপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পম্পি রায় চৌধুরী বলেন, “রবিবার গভীর রাতে পুলিস অন্যায়ভাবে আমাদের প্রধান বিপুল দাসকে গ্রেপ্তার করেছে। প্রধানকে দীর্ঘ দিন ধরে হেনস্থা করছিল তৃণমূল। তবে প্রধানের অবর্তমানেও এই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস খোলা থাকবে। সাধারণ মানুষের কাজ তো আর থমকে থাকতে পারে না।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

জানা যায়, একসময় ধর্মপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিপুল দাস তৃণমূলে ছিলেন। মূলত সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে জলপাইগুড়ি জেলায় বিজেপি জেতার পরে এই প্রধানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে বিজেপির পক্ষ থেকে এই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বিক্ষোভ দেখানো হয়। এমনকি বিপুলবাবুর পদত্যাগের দাবিও করা হয়। আর সেই সময় থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সহ ১০০ দিনের কাজ নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়। জানা যায়, সেই সময় বিজেপিতে থাকা শিবশঙ্কর দত্তের অনুগামীরা প্রধানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন। এরপরে তৃণমূলে থাকা প্রধান বিপুল দাস ও উপপ্রধান পম্পি রায় চৌধুরী জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপি কার্যালয়ে গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। যার ফলে ধর্মপুর এলাকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বিজেপি নেতা শিবশঙ্কর দত্তের অনুগামীরা।

প্রধানকে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকতে না দেওয়া এবং গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে শিবশঙ্কর দত্তের বিরুদ্ধে। এর পরেই বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি শিবশঙ্কর দত্তকে দল থেকে বহিষ্কার করেন।

এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপি’র জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি দেবাশিষ চক্রবর্তী বলেন, “এই ঘটনায় তৃণমূলের স্থানীয় ব্লক সভাপতি জড়িত।” অন্যদিকে এই ব্যাপারে তৃণমূলের স্থানীয় ব্লক সভাপতি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে এক আষাঢ়ে গল্প ফাঁদা হচ্ছে। মিথ্যা কথা বলে আমাকে বদনাম করে কোনও লাভ নেই।” সব মিলিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান গ্রেফতার হওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরমে উঠতে শুরু করল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!