এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > প্রশাসকের চেয়ারে বসতেই অশোককে রাজনীতির ‘জ্ঞান’ গৌতমের! সরগরম উত্তরবঙ্গ!

প্রশাসকের চেয়ারে বসতেই অশোককে রাজনীতির ‘জ্ঞান’ গৌতমের! সরগরম উত্তরবঙ্গ!


শিলিগুড়ি পুরসভার প্রশাসক নিয়োগ ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে তীব্র চাপানউতোর রাজ্য-রাজনীতিতে। আর এবার রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব ও শিলিগুড়ি পুরসভার প্রশাসক অশোক ভট্টাচার্যের বাকযুদ্ধে সরগরম হয়ে উঠল উত্তরবঙ্গের রাজনীতি। প্রসঙ্গত, দুদিন আগে অশোক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে শিলিগুড়ি শহরের সংযোজিত এলাকা ও ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি এলাকার সমস্যা নিয়ে জলপাইগুড়ির জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দেয় সিপিএম।

আর এই ঘটনাতেই চরম ক্ষুব্ধ রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। তিনি বলেন, এখন পুরসভার দায়িত্বে যিনি এসেছেন, তিনি রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি। রাজনীতি কম করে জনস্বার্থে ওঁর কাজ করা উচিত। পুরসভার পদকে কাজে লাগিয়ে উনি জলপাইগুড়িতে গিয়ে ডেপুটেশন দিচ্ছেন। ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে প্রশাসনের ইউনিট অফিস করার দাবি করছেন। উনি তো দীর্ঘদিন মন্ত্রী ছিলেন। সেই সময় ওঁর এসব ভাবা উচিত ছিল। এখন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি নিয়ে ওঁকে না ভাবলেও চলবে।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

পাল্টা দিতে ছাড়েননি অশোকবাবুও। তিনি বলেন, রাজ্যের অন্যান্য পুরসভায় যেভাবে প্রশাসক বসনো হচ্ছে, সেভাবে এখানেও প্রশাসক নিয়োগের দাবি করেছিলাম। তাই ভুল বুঝতে পেরে রাজ্য সরকার প্রশাসক নিয়োগের নির্দেশিকা সংশোধন করেছে। কাজেই কারও দয়াদাক্ষিণ্যে বা কারও হাত ধরে পুরসভার পদে বসিনি। আমি বামপন্থী একটি দলের প্রতিনিধি, বিধায়কও। যেখানে যে অবস্থাই থাকি দলের কাজতো করতেই হবে। তাই ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির মানুষের সমস্যা নিয়েই জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনের কাছে পার্টির পক্ষ থেকে ডেপুটেশন দিয়েছি।

অশোকবাবু আরও বলেন, সেখানকার সমস্যা নিয়ে কথা বলা যাবে না এটা কি কোথাও লেখা আছে? এটা কি ধরনের গণতন্ত্র। তাই কে কী বলছেন, তা নিয়ে ভাবছি না। আর দুই দলের দুই হেভিওয়েট নেতার এই বাকযুদ্ধ ঘিরে উত্তরবঙ্গের রাজনীতি বেশ সরগরম হয়ে উঠেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল বলছে, আসলে অশোকবাবুকে প্রশাসক নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার, যা তৃণমূলের হাতে। ফলে, বর্তমানে পুরসভার কাজকর্ম নিয়ে চূড়ান্ত বিরোধিতায় যেতে পারবে না এখানকার বিরোধী তৃণমূল। আর তাই, ঘুরিয়ে চাপের খেলায় নেমেছেন রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী। ফলে এই দুই হেভিওয়েটের লড়াই এখন কোন দিকে মোড় নেয় সেদিকেই আপাতত তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!