এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > চুক্তিভিত্তিক ও আংশিক শিক্ষকদের জন্যও এবার সুখবর শোনালো শাসকদলের সংগঠন

চুক্তিভিত্তিক ও আংশিক শিক্ষকদের জন্যও এবার সুখবর শোনালো শাসকদলের সংগঠন

পুজোর মরশুমেই চুক্তিভিত্তিক এবং আংশিক শিক্ষকদের মুখে হাসি ফুটিয়ে নয়া সিদ্ধান্ত নিল শাসকদলের সংগঠন। এবার থেকে আংশিক সময় এবং চুক্তিভিত্তিক কলেজ শিক্ষকদেরও ওবেরকুটার কর্মিসমিতিতে ঠাঁই মিলবে। সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করে তাঁদেরকে এই স্তরের সদস্যপদ দেওয়া হবে। অধ্যাপকদের সবথেকে পুরানো সংগঠনের সদ্যসমাপ্ত সম্মেলনে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানালেন ওয়েবকুটারের সভাপতি শুভোদয় দাশগুপ্ত। সময়ের দাবী মেনে নিয়েই চুক্তিভিত্তিক কলেজে শিক্ষকদের বাড়তি সম্মান দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে গতবারের তুলনায় এবার সংগঠনের সদস্য সংখ্যা বেড়েছে বলেই জানা গিয়েছে। পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে,২০১৭ সালের তুলনায় এবার প্রায় ৭০০ জন বেশি শিক্ষক যোগ দিয়েছেন ওয়েবকুটারে। বর্তমানে সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৯০০ জন। ২০১৬ সালের পর থেকেই সদস্য সংখ্যা ক্রমবর্ধমান অবস্থা সামনে এসেছে। কেন দিন দিন বাড়ছে ওয়েবকুটারের সদস্য সংখ্যা? উত্তর পাওয়া গেল সংগঠনের সদস্য তথা রবীন্দ্রভারতী বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আশিস দাস। জানালেন,দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকদের প্রতি রাজ্যসরকারের বঞ্চনা শিক্ষকবিরোধী মানসিকতা সহ আরো একাধিক কারণে শিক্ষকেরা এখন দলে দলে ভীড় জমিয়েছেন ওয়েবকুটায়।

নির্বাচনের মাধ্যমেই হোক অথবা মনোনীত এতোদিন ওয়েবকুটার কর্মসমিতিতে একমাত্র স্থায়ী সদস্যই হতে পারবেন,এতোদিন এটাই ছিল নিয়ম। কিন্তু চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের কথা মাথায় রেখে এবার এই নিয়মে বদল আনা হল সংবিধান সংশোধন করে। ঠিক করা হয়েছে, দু’জন পার্ট টাইম অথবা চুক্তিভিত্তিক শিক্ষককে কো-অপ্ট করে কর্মসমিতিতে আনা যাবে। যার অর্থ হল যে ২৪ জন সদস্য নির্বাচিত হয়ে কর্মসমিতিতে আসবেন,তাঁদের মধ্যে ৯ জনকে বাইরে থেকে মনোনয়ন করা যাবে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিন সংগঠনের পদাধিকারীদের বাছাই পর্ব শেষ হয়েছে। এবার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কেশব ভট্টাচার্য। সভাপতি পদে বহাল রয়েছেন শুভোদয় দাশগুপ্তই। প্রবোধ মিশ্র এলেন ভাইস প্রেসিডেন্টের পদে । তরুণ নস্করও যুগ্মভাবে রয়েছেন এই পদে। তবে,আংশিকসময় বা চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের কারণেই বহু কলেজের পঠনপাঠন স্বাভাবিক রয়েছে। একথা মানতেই হবে। তাই তাঁদের সম্মানে ওয়েবকুটারে জায়গায় করে দেওয়ার সিদ্ধান্তটি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন শিক্ষকমহল। অন্যদিকে,বিরোধী রাজনৈতিকদলগুলো,লোকসভা ভোটের আগে এই সিদ্ধান্তকে ভোটব্যাঙ্ক বাড়াতে রাজ্যসরকারের একটি রণনীতি বলেই মনে করছেন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!