এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > খড়গপুর উপনির্বাচনে নতুন “সমস্যা” নিয়ে জেরবার হতে চলেছে তৃণমূল নেতৃত্ব! বাড়ছে জল্পনা

খড়গপুর উপনির্বাচনে নতুন “সমস্যা” নিয়ে জেরবার হতে চলেছে তৃণমূল নেতৃত্ব! বাড়ছে জল্পনা

সামনে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে খড়গপুর বিধানসভার উপনির্বাচন। আর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছে মেদিনীপুর আসনে পরাজয় ঘটেছে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী মানস ভুইয়ার। কার্যত প্রেস্টিজ ফাইটে হেরে যাওয়ার পরে আগত খড়গপুর বিধানসভার উপনির্বাচনের কিছুটা আশার আলো দেখছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিগত দিনে এই খড়গপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ প্রার্থী ছিলেন।

সম্প্রতি মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রে তিনি বিজেপি সাংসদ হয়েছেন। আর তার ছেড়ে যাওয়া এই আসনে এবার অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভোট। বলাই বাহুল্য, এই উপনির্বাচনে যদি তৃণমূল জয়লাভ করতে পারে, তাহলে তৃণমূলের ক্ষেত্রে মেদিনীপুরের হৃতগৌরব কিছুটা পুনরুদ্ধার হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

কিন্তু দক্ষিণপন্থী রাজনীতির জন্মলগ্নের প্রথম দিন থেকেই হয়ত তৃনমূলের মধ্যে দলীয় প্রার্থী কে হবে, তাই নিয়ে অসন্তোষ অত্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাপার। আর এবার তৃণমূলের খড়গপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী হবে এবং সেই প্রার্থী বহিরাগত হবে, না স্থানীয় হবে! সেই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে মতান্তরে অনেকটাই অস্বস্তিতে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বলে খবর।

ইতিমধ্যেই প্রার্থী হতে চেয়ে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ সরকার। তার সমর্থনে 26 জন কাউন্সিলরের মধ্যে 19 জন কাউন্সিলর ইতিমধ্যেই দাবি তুলেছেন। খড়গপুর বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানা যায়। তবে তৃণমূলের অন্যান্য জেলার মতোই খড়গপুর বিধানসভা কেন্দ্র ঘিরে দলীয় কোন্দলের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

অভিযোগ, খড়গপুরের চেয়ারম্যান প্রদীপবাবুর সমর্থনে যে সমস্ত কাউন্সিলার দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে তাদের প্রস্তাব পাঠিয়েছেন, তাদের কার্যত জোর করেই সেই প্রস্তাব পত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে এই ব্যাপারে খড়গপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপবাবু বলেন, “এরকম কোনো প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে কিনা, তা আমার জানা নেই।”

তবে এই ব্যাপারে আবার ভিন্নমত পোষণ করতে দেখা গেছে খড়গপুর শহর তৃণমূল সভাপতি রবিশংকর পান্ডেকে। কেন এইভাবে কোনো একটা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম প্রার্থী পদের জন্য পাঠানো হবে, তা নিয়ে তীব্র বিরোধিতা করেছেন তিনি। তবে বিশেষ সূত্র মারফত খবর পাওয়া গেছে, এবারে এই খড়গপুর বিধানসভা উপনির্বাচন তৃণমূলের প্রার্থী হতে পারেন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থী দীনেশ ত্রিবেদী।

তবে এখানে কেন বাইরের প্রার্থীকে তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রকাশ করতে শুরু করেছেন তৃণমূলের স্থানীয় কাউন্সিলররা। এদিন এই প্রসঙ্গে কাউন্সিলার তৈমুর নুর আলি খান বলেন, “বাইরের প্রার্থী না দিয়ে স্থানীয় প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে একটা প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেখানে 19 জন কাউন্সিলর সই করেছেন।চেয়ারম্যান প্রার্থী হলে ভালো হয় বলে বিবেচনা করার আবেদন জানানো হয়েছে।”

অন্যদিকে স্থানীয় প্রার্থীর হয়ে সওয়াল করলেও যে প্রার্থী হবে, তারা তার হয়েই কাজ করবেন বলে জানান কাউন্সিলর সরিতা ঝা। এদিকে এই প্রসঙ্গে খড়গপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ সরকার বলেন, “কাউন্সিলরদের মধ্যে স্থানীয় প্রার্থী নিয়ে একটা আলোচনা হয়েছে। তবে সই করে কোথাও পাঠানো হয়েছে কিনা জানা নেই।”

এদিকে এই প্রসঙ্গে খড়গপুর তৃণমূলের সভাপতি রবিশংকর পান্ডে বলেন, “আমাদের দলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই সব। তিনি যা সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটাই চূড়ান্ত।” সব মিলিয়ে বহিরাগত নাকি স্থানীয় প্রার্থী, খড়গপুরে তৃণমূল কাকে প্রার্থী পড়ে, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজনৈতিক মহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!