এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > পুরসভায় 26 টি পদের জন্য পরীক্ষার্থী 4 হাজার, বিরোধীদের অভিযোগ অস্বচ্ছতার, সংযত থাকার আবেদন শাসকের

পুরসভায় 26 টি পদের জন্য পরীক্ষার্থী 4 হাজার, বিরোধীদের অভিযোগ অস্বচ্ছতার, সংযত থাকার আবেদন শাসকের

রাজ্যের কর্মসংস্থানের বেহাল দশা নিয়ে বিভিন্ন সময়েই সরকারকে কটাক্ষ করে বিরোধীরা। কিন্তু এবারে শাসকদল পরিচালিত কান্দি পুরসভা সেই কর্মসংস্থানের জন্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হলেও বিরোধীদের সমালোচনার মুখ থেকে কিছুতেই ফিরে আসতে পারছে না শাসকদল।

কিন্তু যেখানে বিরোধীদের দাবি অনুযায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে শাসকদল পরিচালিত পৌরসভা, সেইখানে কেন হইচই শুরু করছে বিরোধীরা? একাংশের মতে, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে হলে একটু অতীতের দিকে যেতে হবে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত একমাস আগে এই কান্দি পুরসভার সুইপার, নাইট গার্ড, করনিক, হিসাবরক্ষক, নির্মাণ সহায়ক সহ বিভিন্ন পদের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। জানা যায়, পুরসভার পক্ষ থেকে এই 26 টি পদের জন্য সকলকে আবেদন করতে বলা হলে সেখানে আবেদনের সংখ্যা পড়ে প্রায় 4 হাজার।গতকাল সেই আবেদনের ভিত্তিতে পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করে কান্দি পৌরসভা।

জানা গেছে, কান্দির কান্দি রাজ উচ্চ বিদ্যালয়, কান্দি রাজ কলেজ, জেমো এনএন উচ্চ বিদ্যালয় এবং রাজা বীরেন্দ্র চন্দ্র কলেজে সকাল 11 টা থেকে বেলা 1 টা পর্যন্ত মোট 80 নম্বরের একটি লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বাকি 20 নম্বরের মৌখিক পরীক্ষাও নেওয়া হবে বলে খবর। তবে পরীক্ষা হলেও এই পরীক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে এবং নিয়োগ নিয়ে সেই কান্দি পুরসভার শাসকদলের বিরুদ্ধে তীব্র সোচ্চার হয়েছেন বিরোধীরা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিন এই প্রসঙ্গে পুরসভার নির্দল কাউন্সিলার দেবজ্যোতি রায় বলেন, “এই বাজারে কর্মসংস্থান হচ্ছে, এটা খুবই ভালো বিষয়। কিন্তু গোটা বিষয়টি নিয়ে একটা অস্বচ্ছতা রয়েছে। তাই কাদের চাকরি হবে সেটা আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছে।”

একই কথা বলে শাসকদলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন কান্দি মহকুমার কংগ্রেস সভাপতি সফিউল আলম খান। এদিন তিনি বলেন, “সবকিছুই আগে ঠিক করা আছে। পরীক্ষার নামে এদিন 4000 বেকার হয়রানির শিকার হলেন।” অন্যদিকে শাসকের প্রতি বিরোধীদের এহেন অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূল পরিচালিত কান্দি পৌরসভার ভাইস-চেয়ারম্যান অজয় বড়াল।

এদিন তিনি বলেন, “বিরোধীরা তো অস্বচ্ছতার অভিযোগ আনবেনই। ওটাই তো ওদের কাজ। আসলে আমরা কর্মসংস্থান করছি বলে ওদের ঈর্ষা হচ্ছে। পরীক্ষা নিয়ে কোনোরূপ অস্বচ্ছতা নেই। বিরোধীরা অযথা রাজনীতি না করে সংযত থাকুন।”

তবে যাদের জন্য এই নিয়োগ প্রক্রিয়া, সেই পরীক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া কি? এদিন এই প্রসঙ্গে কান্দি রাজ কলেজে পরীক্ষা দিতে আসা এক পরীক্ষার্থী বলেন, “পরীক্ষা দিতে হচ্ছে অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের জন্য। যাদের চাকরি হবে তাদের মুখের দিকে তাকালেই বুঝে যাবেন।”

আর এক পরীক্ষার্থী সমরেশ দাস বলেন, “71 টি প্রশ্নের উত্তর সঠিক দিয়েছি। কিন্তু আমি নিশ্চিত যে এই প্যানেলে আমার নাম থাকবে না।” সব মিলিয়ে শুধু বিরোধীরা নয়, এবার পরীক্ষার্থীরাও সেই কান্দি পৌরসভার কর্মী নিয়োগে অস্বচ্ছতার একটা চাপা অভিযোগ তুলতে শুরু করেছেন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!