এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > সরকার তো হল, সংখ্যাগরিষ্ঠতা মিলবে তো? এই উত্তরের খোঁজেই সরগরম কর্ণাটক

সরকার তো হল, সংখ্যাগরিষ্ঠতা মিলবে তো? এই উত্তরের খোঁজেই সরগরম কর্ণাটক

আরো একবার আস্থা ভোটের মুখোমুখি কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী তাও আবার মাত্র কদিনের ব্যবধানে। তবে এবারে তফাৎ শুধু মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি শিবিরের নয় – কংগ্রেস এবং জেডিএস জোটের সমর্থিত। এই প্রথমবার রাজ্যে এক সপ্তাহ ব্যবধানের মধ্যে দুজন মুখ্যমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করলেন। প্রথম জন বিজেপি নেতা বিএস ইয়েদুরাপ্পা যিনি আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক নিজের সমর্থনে আনতে ব্যর্থ হবে জেনে আস্থা ভোটের আগেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন। দ্বিতীয় জন হলেন কংগ্রেস-জডি(এস) জোটের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী। বুধবার তিনি বেঙ্গালুরুর বিধান সৌধতে শপথ নিয়েছেন।

ঐদিন রাজ্যের উপ মুখ্যমন্ত্রী পদে ডাঃ জি পরমেশ্বরও একই মঞ্চ থেকে শপথ নিয়েছেন। ভারতীয় সংবিধান অনুসারে কোনও রাজ্যে সরকার গঠন করতে হলে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন এবং সেই সকল বিধায়ককে একত্রিত করে বিধানসভায় হাজির করে আজ কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী আস্থাভোটের মুখোমুখি হবেন। উল্লেখ্য ২২৪ আসনের কর্ণাটক বিধানসভায় ২২২ আসনে নির্বাচন হয়েছে। একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণ করার জন্যে সেখানে দরকার ১১২ টি আসন। ১০৪ টি আসন পেয়ে শর্ত সাপেক্ষে রাজ্যপাল অনুমতি দিলেও সরকার গঠন করতে ব্যর্থ হয়েছে বিজেপি। আর তাই কংগ্রেস এবং জেডি(এস) যথাক্রমে ৭৮ এবং ৩৮ বিধায়ক নিয়ে জোট সরকার গঠন করেছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহলের ধারণা আজ জোট সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমান মসৃন নাও হতে পারে, কেননা ইতিমধ্যেই লিঙ্গায়েত বিধায়কেরা অন্যসুরে কথা বলছেন। অন্যদিকে বিজেপিও যে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না সেকথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন খোদ কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। ফলে সবমিলিয়ে সরকার গঠন করেও খুব শান্তিতে নেই কর্ণাটকের জোট সরকার।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!