এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বন্যা নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রের ভরসায় না থেকে বিশ্বব্যাঙ্কের টাকায় নিজেই প্রকল্প গড়ছে রাজ্য

বন্যা নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রের ভরসায় না থেকে বিশ্বব্যাঙ্কের টাকায় নিজেই প্রকল্প গড়ছে রাজ্য

মাঝে মধ্যেই রবীঠাকুরের “যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে” এই গানটি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবারে তাই কারও ওপরে ভরসা না করে বন্যা নিয়ন্ত্রনে স্বয়ংসম্পূর্ন হয়ে কাজ করতে চায় রাজ্য সরকার। সোমবার বিধানসভায় এক প্রশ্নোত্তর পর্বে সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র জানান, বন্যা নিয়ন্ত্রনে 11 টি মাষ্টার প্ল্যান তৈরি হলে নিম্ন দামোদরের বন্যা নিয়ন্ত্রন ও সেচ প্রকল্পের জন্য বিশ্বব্যাঙ্ক 2768 কোটি টাকা অনুমোদন করেছে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।

জানা গেছে, উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিংয়ের জন্য 1589 কোটি টাকা এবং উত্তর ও দক্ষিন দিনাজপুর,মালদা ভাঙন রোধে 771 কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে। এছাড়াও ময়ুরাক্ষী, হিংলো, কংসাবতী, মেদিনীপুর খাল ও তিস্তা প্রকল্পের সংস্কারে 2160 কোটি ও দুই মেদিনীপুর, হুগলি, উত্তর 34 পরগনায় ছোটো নদী ও খালের ওপর ড্যাম তৈরির জন্য 133 কোটি এবং দক্ষিনবঙ্গের নিকাশি নালা , নদী সংস্কারে 1652 কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাজ্য সরকার।

এদিকে এদিন বিধানসভায় তৃনমৃল বিধায়ক জ্যোতির্ময় করের এক প্রশ্নের জবাবে সেচমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘাটাল মাষ্টার প্ল্যানে 1238 কোটি 95 লক্ষ  এবং গঙ্গা পদ্মা ভাঙন প্রতিরোধে 895 কোটি 63 লক্ষ টাকা ধরা হলেও কেন্দ্র তাতে কোনো নজরই দিচ্ছে না। এদিকে 2005 সালের চুক্তি অনুযায়ী ফারাক্কার আপ ও ডাউনস্ট্রিম মিলিয়ে মোট 80 কিমি রক্ষনাবেক্ষনের কথা থাকলেও কেন্দ্র মোটে 12 কিলোমিটারের কাজ করে।

অভিযোগ, রাজ্যের উপকূলে 62 কিমি সমুদ্রবাধের রক্ষনাবেক্ষনে 70% টাকা কেন্দ্রের দেওয়ার কথা থাকলেও সেটা থেকেও বঞ্চিত রাজ্য। আর তাই রাজ্যে বিগত বাম আমলের সেতু মেরামত সহ একাধিক জেলার বন্যাতে নদীবাধের পরিকাঠামো শক্ত করতে আর কেন্দ্রের ওপর ভরসা না করে এবার বিশ্বব্যাঙ্কের কাজ থেকে ঋন নিয়ে এই কাজ করতে চায় রাজ্য সরকার।

 

Top
error: Content is protected !!