এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > ঝিনাইডাঙ্গা নিয়ে মুকুল-কৈলাশদের বিরুদ্ধে এফআইআর, সঙ্গে গোবর-গঙ্গাজলের ব্যবস্থা – তৃণমূলের ‘অভিনব’ পদক্ষেপ

ঝিনাইডাঙ্গা নিয়ে মুকুল-কৈলাশদের বিরুদ্ধে এফআইআর, সঙ্গে গোবর-গঙ্গাজলের ব্যবস্থা – তৃণমূলের ‘অভিনব’ পদক্ষেপ

বিজেপির রথযাত্রার পরের দিন রাজ্যের সূচিতা ফিরিয়ে আনতে পবিত্র যাত্রা করার পরিকল্পনার কথা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলো তৃণমূল। সুযোগ বুঝে সেই পবিত্রযাত্রার ক্ষুদ্র সংস্করণ আগেই দেখিয়ে দিল এদিন শাসকদল। রথযাত্রায় আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। তাই ৭ ডিসেম্বর পূর্ব পরিকল্পিত রথযাত্রার সূচনা করতে পারল না বিজেপি। তার পরিবর্তে কোচবিহারে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে জনসভায় আয়োজন করেছিল বিজেপি।

বিজেপির সভার পাল্টা দিতেই শুদ্ধিকরণ অভিযানে নামল তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। ঝিনাইডাঙায় যে স্থানে সভা করেছিল বিজেপি ঠিক সেখানেই গঙ্গা এবং গোবরজল ছিটিয়ে ‘পবিত্র’ করলেন শাসকদলের মহিলাকর্মীরা।

শুধু তাই নয়, জাতীয় সড়ক আটক করে সভা করার অভিযোগে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়দের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআরও দায়ের করে শাসকদল।বহু কাঙ্খিত বিজেপির রথযাত্রার সূচনা হওয়ার কথা ছিল উত্তরবঙ্গের কোচবিহার থেকে।

ঝিনাইডাঙ্গায় জনসভা পর কর্মসূচির সূচনা করবেন জাতীয় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ – এমনটাই ঠিক করা হয়েছিল কিন্তু সে পরিকল্পনা আপাতত অনিশ্চয়তার মুখে। রথযাত্রার অনুমতি দেয়নি আদালত।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

প্রশাসনের সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। তার জেরেই রথযাত্রা কর্মসূচিতে স্থগিতাদেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। বৃহস্পতিবার নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে রথযাত্রার কর্মসূচির উপর স্থগিতাদেশ জারি করে হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর সিঙ্গল বেঞ্চ।

কিন্তু সে রায় খারিজ হয়ে যায় ডিভিশন বেঞ্চে। শুক্রবার দিনভর সওয়াল-জবাবের পরও রথযাত্রার অনুমতি দেয়নি হাইকোর্ট। তবে আগামী ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে মুখ্যসচিব,স্বরাষ্ট্রসচিব ও ডিজিকে বিজেপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দারের ডিভিশন বেঞ্চ।

তবে এদিন ডিভিশন বেঞ্চের শুনানির আগেই বঙ্গসফর বাতিল করে দেন জাতীয় বিজেপি সুপ্রিমো অমিত শাহ। আর অন্যদিকে, কোচবিহারের ঝিনাইডাঙ্গার সভাস্থলে সকাল থেকেই জমায়েত হতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। নির্ধারিত সময়ের প্রায় ঘন্টা তিনেক পরে আসরে নামেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঞ্চে উঠে দলীয় কর্মীদের শান্ত করতে সভায় আসার জন্যে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

তবে বিজেপির সভার পাল্টা দিতে ঝিনাইডাঙ্গাতে গঙ্গাজল, গোবরজল এবং আমের পল্লব সহযোগে বিজেপির সভাস্থলকে শুদ্ধ করার যে নির্দশন পেশ করল শাসকদল, তাতে লোকসভা ভোটের লড়াইটা বিজেপির সঙ্গে যে কড়ায় গন্ডায় হবে সেটা একরকম বুঝিয়েই দিল তৃণমূল কংগ্রেস। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!