এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > নতুন বছরের আতঙ্ক কাটিয়ে অবশেষে নিজেদের প্রাপ্যের মুখ দেখলেন এই সরকারি কর্মচারীরা

নতুন বছরের আতঙ্ক কাটিয়ে অবশেষে নিজেদের প্রাপ্যের মুখ দেখলেন এই সরকারি কর্মচারীরা

Priyo Bandhu Media

নতুন বছরে সবাই যখন নব আনন্দে মেতে – ঠিক তখনই দুশ্চিন্তায় দু চোখের পাতা এক করতে পারছিলেন না মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম বিশ্বস্ত ও অনুগত সৈনিক ফিরহাদ হাকিমের মন্ত্রীত্বে থাকা নগরোন্নয়ন দপ্তরের পেনশন ভোগীরা। কেননা যে ন্যায্য প্রাপ্য তাঁদের মাস পয়লায় পাওয়ার কথা সেই পেনশনের দেখা মাসের অর্ধেক পেরিয়ে গেলেও পাচ্ছিলেন না তাঁরা। এমনকি এই নিয়ে স্বয়ং দপ্তরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম কথা দিলেও – ‘টেকনিক্যাল কারণে’ আটকে যায় তাঁদের পেনশন।

অবশেষে নতুন বছরের নতুন মাসের অর্ধেক পেড়িয়ে বহু কাঙ্খিত সেই পেনশনের দেখা পেলেন নগরোন্নয়ন দপ্তরের অন্তর্গত প্রাক্তন কেএমডিএ, কেএমডব্লিউএসএ ও কেআইটি-র প্রায় ৮ হাজার কর্মী। গতকাল ভোরবেলা থেকেই ব্যাঙ্কের এসএমএস পেতে থাকেন এই পেনশনভোগীরা বলে জানা গেছে। ফলে, অবশেষে উৎকন্ঠার দিন পেরিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন প্রায় ৮ হাজার পেনশনভোগী। যদিও বিপুল পরিমান বকেয়া ডিএ ও সাড়ে তিন বছরেও বেতন কমিশন চালু না হওয়ার পর – এবার মাস পয়লায় বেতন ও পেনশন না পাওয়ার নতুন আতঙ্কে সরকারি কর্মচারীরা।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এই প্রসঙ্গে সরকারি কর্মচারী পরিষদের আহ্বায়ক দেবাশীষ শীল নিজে ফোন করে প্রিয় বন্ধু বাংলাকে ধন্যবাদ দেন। তিনি জানান, অবশেষে কেএমডিএ, কেএমডব্লুএসএ ও কেআইটি-র প্রায় ৮,০০০ অবসরপ্রাপ্ত কর্মীবন্ধুদের গত ডিসেম্বর মাসের পেনশন গতকাল ভোরে ব্যাঙ্কগুলোতে জমা পরে। আমাদের সংগঠন, সরকারী কর্মচারী পরিষদ এবং উন্নয়ন সংস্থার যুক্ত সংগ্রাম কমিটি যৌথভাবে এর বিরুদ্ধে লাগাতার প্রতিবাদ, ডেপুটেশন চালিয়ে যাচ্ছিল। বাংলা ও হিন্দি ভাষায় প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদপত্র ও আপনাদের পোর্টাল যেভাবে – এই নিয়ে রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা, আমাদের প্রতিক্রিয়া, ডেপুটেশনের খবর, রাজ্য সরকারের বিবৃতি ইত্যাদি তুলে ধরেছেন তাতে আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা মনে করি আপনাদের এই সহযোগিতা পেনশন পেতে খুব অর্থবহ ভূমিকা নিয়েছে এবং আমাদের লড়াই সংগ্রামে প্রেরণা জুগিয়েছে।

প্রসঙ্গত, যখন মাসের দীর্ঘসময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেই কর্মীরা তাঁদের ন্যায্য পেনশন পাচ্ছিলেন না তখন দেবাশীষবাবুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল উন্নয়ন ভবনে প্রথমে কেএমডিএর স্পেশাল সেক্রেটারি ও পরে সর্বোচ্চ কর্তাব্যাক্তি তথা সিইও সঞ্জয় বনসালের সঙ্গে দেখা করেন। কেএমডিএ ও রাজ্য সরকারের অধীনস্থ অন্যান্য কয়েকটি উন্নয়নমূলক সংস্থার প্রায় ৮ হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের গত ডিসেম্বর মাসের পেনশন না হওয়াই দেবাশীষবাবুরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং কালবিলম্ব না করে তা মিটিয়ে দেবার দাবী করেন। আর তার পরেই টালবাহানা কাটিয়ে অবশেষে পেনশনের মুখ দেখলেন নগরোন্নয়ন দপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!