এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > আবার কি ‘উন্নয়নের স্বার্থে’ কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন বিধায়করা?

আবার কি ‘উন্নয়নের স্বার্থে’ কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন বিধায়করা?

২০১৬ তে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস বাংলার মসনদে বসলেও সকলকে চমকে দিয়ে ৪৪ বিধায়ক নিয়ে প্রধান বিরোধী দল হয় কংগ্রেস। কিন্তু সেই সংখ্যা কমতে কমতে এখন ৩৫ সে এসে ঠেকেছে। নোয়াপাড়ার প্রবীণ বিধায়ক মধূসুদন ঘোষ প্রয়াত হয়েছেন আর ‘বেসরকারি’ ভাবে বাকি আট বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন (কেননা বিধানসভায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে শুনানিতে এঁরা কেউ স্বীকার করেননি যে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন অথচ বিধানসভার বাইরে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন)। কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া এই আট বিধায়ক হলেন হলেন তুষারকান্তি ভট্টাচার্য, হাসানুজ্জামান শেখ, রবিউল আলম চৌধুরী, শম্পা দড়িপা, কানাইলাল আগরওয়াল, অরিন্দম ভট্টাচার্য, শঙ্কর সিংহ ও মানস ভুঁইয়া (এর মধ্যে মানস বাবু বিধায়কপদে ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছেন তৃণমূলের টিকিটে)।
এবছর ২১ জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবসের মঞ্চে অনেক কংগ্রেস বিধায়ক যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা শুরু হয়েছিল, তবে বাস্তবে তা হয় নি। কেননা কেন্দ্রে কংগ্রেসের সঙ্গে সখ্যতা তৈরি হওয়াতে আর কংগ্রেসের শক্তিহরণ করা হবে না, এমনও একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল তৃণমূলের অন্দরে।

কিন্তু এক সর্বভারতীয় মিডিয়ার বাংলা সংস্করণে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী শঙ্কর মালাকার, অপূর্ব সরকার, দুলাল বর, বিশ্বনাথ পড়িয়াল ও গৌতম দাস – এই পাঁচ কংগ্রেস বিধায়ক আপাতত তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়ে আছেন। যদিও এই ঘটনার সূত্র ও সত্যতা সম্পর্কে ওই খবরে বিশদে কিছু বলা হয় নি, প্রিয়বন্ধু বাংলার পক্ষ থেকেও এই খবরের সত্যতা যাচাই করে দেখা সম্ভব হয় নি। এই প্রবন্ধ সম্পূর্ণরূপে ওই মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের পরিপ্রেক্ষিতে করা, কোনোভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত নয়, বা এই প্রবন্ধ কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্মানহানির উদ্দেশ্যেও রচিত নয়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!