এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > দাম নেই আলুর, কৃষকদের মুখের দিকে তাকিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন হেভিওয়েট মন্ত্রী

দাম নেই আলুর, কৃষকদের মুখের দিকে তাকিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন হেভিওয়েট মন্ত্রী

যে কোনো রান্নাতেই আলুর ভূমিকা অপরিহার্য। আর এবারে সেই আলুরই সঠিক দাম না হওয়ায় কার্যত রাজ্যের হিমঘর গুলিতে পড়ে রয়েছে 14 লক্ষ মেট্রিক টনের মতো আলু। জানা গেছে, নির্দিষ্ট সময়সীমা অনুযায়ী আর সাত দিন পরেই বন্ধ হয়ে যাবে সেই হিমঘরগুলি। ফলে ঠিক কিভাবে কি হবে তা বুঝতে পারছেন না চাষিরাও।

এদিকে খুচরো বাজারে এখনও পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে জ্যোতি আলু কিনতে হচ্ছে 16 থেকে 18 টাকা কেজি দরে। আর পাইকারি বাজারে আলুর দাম কমে গেলেও খুচরো বাজারে তা এখনও ওই অবস্থায় থাকায় এদিন সেই ফড়ে ও খুচরো ব্যবসায়ীদেরই দায়ী করেছেন পাইকারি কারবারিদের একাংশ।

অন্যদিকে পাল্টা এই ব্যাপারে নিজেদের যুক্তিও খাড়া করেছে খুচরো ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, হিমঘর থেকে যে আলু আসছে তার মান অত্যন্ত খারাপ হওয়ায় লোকসানে ঠেকাতেই এই আগের দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

সূত্রের খবর, প্রতিবছর এই রাজ্যে 60 লক্ষ মেট্রিক টন আলুর প্রয়োজন হয়। আর এই বছরে রাজ্যে প্রায় 1 কোটি মেট্রিক টন আলু উৎপাদন হয়েছিল। জানা গেছে, এর মধ্যে 71 লক্ষ মেট্রিকটন আলু রাজ্যের প্রায় 480 টি হিমঘরে মজুত করে রাখা হয়েছিল। আর বিগত মে মাস থেকেই সেই আলু হিমঘর থেকে বের করা হয়। কিন্তু এখনও সেখানে 80 শতাংশ অর্থ্যাৎ 14 লক্ষ মেট্রিক টনের মত আলু মজুত রয়েছে। আর এই 14 লক্ষ্যের মধ্যে দেড় লক্ষ টন বীজ আলু এবং বাকি সাড়ে 12 লক্ষ টন খাবার আলো রয়েছে।

এদিকে যদি ঠিক সময়ে সেই আলু হিমঘর থেকে বেরোয় তাহলে তার পরিমাণ হবে দেড় থেকে 2 লক্ষ। ফলে যদি তারপরও নির্দিষ্ট সময় মত হিমঘর বন্ধ হয়ে যায় তাহলে প্রবল ক্ষতির মুখে পড়বেন আলুচাষি থেকে ব্যবসায়ীরা।

এদিন এই প্রসঙ্গে প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির রাজ্য সম্পাদক লালু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতির কথা জানিয়ে আমরা হিমঘরের ভাড়ায় ভর্তুকি ও খোলা রাখার সময় বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবহন ভর্তুকি ব্যবস্থা করার জন্য লিখিতভাবে মন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছি। আলোচনার মাধ্যমে তিনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। হিমঘর খোলা রাখার সময় না বাড়ালে আমরা বড়ই বিপদে পড়বো।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

কিন্তু এই ব্যাপারে ঠিক কি বলছেন রাজ্যের কৃষি বিপণন মন্ত্রী? এদিন এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত বলেন, “আগামী 26 বা 27 শে নভেম্বর আমরা এই ব্যাপারে বৈঠকে বসব। সেই বৈঠক থেকেই পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” সব মিলিয়ে এখন রাজ্য সরকার কৃষকদের ‌পাশে দাড়িয়ে হিমঘর খোলা রাখার ব্যাপারে ঠিক কী সিদ্ধান্ত নেয় এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!