এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > অনিচ্ছুক জমিদাতা চাষিদের মিছিলে বাধার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, দুন্ধুমার কান্ড অনুব্রত গড়ে

অনিচ্ছুক জমিদাতা চাষিদের মিছিলে বাধার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, দুন্ধুমার কান্ড অনুব্রত গড়ে

অনিচ্ছুক জমিদাতা চাষিদের মিছিলে বাধার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, দুন্ধুমার কান্ড অনুব্রত গড়ে। আজ বোলপুরের শিবপুরে বেঙ্গল প্ল্যাটফর্ম অফ মাস অর্গানাইজ়েশন তাদের ব্যানারে একটি মিছিল বের করে। সেই মিছিলের নেতৃত্বে দেন প্রাক্তন সিপিআইএমের সাংসদ রামচন্দ্র ডোম। অভিযোগ, মিছিল চলাকালীন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা প্রথমে মিছিল বন্ধ করার হুমকি দেয়। পরে তারা মারধর করে মিছিলে থাকা চাষিদের।আর এই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এরপর বন্ধ হয়ে যায় মিছিল। যদিও এই নিয়ে তৃণমূলের তরফ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো পতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

জানা গেছে আবাসনের বিরোধিতা করে জমিদাতা কৃষকদের একাংশ আন্দোলনে নেমেছেন। তাঁদের দাবি, “শিল্প হলে জমি দেব, নইলে জমি ফিরিয়ে দিতে হবে।”এই নিয়ে রামচন্দ্র ডোম বলেন, “এই জমিতে শিল্প করতে হবে। শিল্প যদি না করে, তাহলে এই জমি যাদের থেকে নেওয়া হয়েছিল তাঁদের ফেরত দিতে হবে।”

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে বাম আমলে শিল্পের জন্য শ্রীনিকেতন-শান্তিনিকেতন উন্নয়ন পর্ষদের তত্ত্বাবধানে বোলপুরের শিবপুর মৌজায় ৩০০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল।সেই সময় অধিগ্রহণের বিরোধিতা করে অনুব্রত মণ্ডলের নেতৃত্বে পথে নেমেছিলেন চাষিরা। পরবর্তীকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর তাঁর নির্দেশ মতো এখানে কেমিকেল হাব হবে বলে ঘোষণা করেন রাজ্যের তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু পরে সেই পরিকল্পনার বদল করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন যে
বোলপুরে এক প্রশাসনিক বৈঠকে এসে এখানে গীতবিতান আবাস প্রকল্প হবে। যা নিয়েই কৃষকদের ক্ষোভ.তাদের মতে শিল্প হলে তারা কাজ পাবেন কিন্তু আবাসন হলে তাদের কি লাভ। ফলে তাঁরা জমি ফেরত চান।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!