এখন পড়ছেন
হোম > আন্তর্জাতিক > ফেসবুকে নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে অশালীন কথা লেখেন? কি কড়া শাস্তির মুখে পড়তে পারেন জানুন

ফেসবুকে নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে অশালীন কথা লেখেন? কি কড়া শাস্তির মুখে পড়তে পারেন জানুন

সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আমরা দেখেছি, বিভিন্ন নেতা-নেত্রীর সম্বন্ধে কুরুচিকর মন্তব্য হয়। এ সংক্রান্ত ব্যাপারে আইনত পদক্ষেপ নিলেও অবস্থার পরিবর্তন কিছুই হয় না। যতদিন যাচ্ছে রাজনৈতিক নেতা নেত্রী থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তি সম্পর্কে নানান কুরুচিকর মন্তব্য যে কেউ করছে। শুধু নামকরা ব্যক্তি নয়, অনেক সাধারণ মানুষও এ ধরনের হ্যারাসমেন্টের শিকার হয়। সাইবার আইনের আওতায় এনে অনেককেই শাস্তি দেওয়া হলেও এখনও এই ধরনের ঘটনা ঘটে চলেছে। এবার এই ধরনের ঘটনাতে রাশ টানতে কড়া আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের পথে চলেছে কেন্দ্র।

এবার থেকে দেশের বিশিষ্টজনকে নিয়ে সোশ‍্যাল মিডিয়ায় কোনরকম বিতর্কিত পোস্ট করার আগে বিপদের কথা আগে চিন্তা করতে হবে। কারণ ধরা পড়লে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে এবং তার সাথে জরিমানা পেতে কঠোর শর্ত মানতে হবে।

সম্প্রতি তামিলনাড়ু কন্যাকুমারীতে এক বাসিন্দা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে অত্যন্ত কুরুচিকর একটি পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়‌। এর ফলে তাকে ভারতীয় দণ্ডবিধির তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের 505 এর দুই ধারায় এবং 67b ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্তের জামিন হলেও কোর্টের নির্দেশে তাকে এক বছর যাবত সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকতে হবে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

আমাদের দেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যথা- মোদি, যোগী আদিত্যনাথ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় নানান কুরুচিকর মন্তব্য, কার্টুন ইত্যাদি চলতেই থাকে। এ ধরনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হলেও অবস্থা একই রকম রয়েছে। ঠিক এই কারণেই কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং নেটিজেনদের সতর্ক করা হচ্ছে।

বর্তমানে রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের ব্যবহার করে নানান রকম গুজব, সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক বিভিন্ন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কেউ বা কারা ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়িয়ে দিচ্ছে। যার ফলে সামাজিক পরিবেশে যথেষ্ট প্রভাব পড়ছে। পরিবেশ পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই কারণেই এবার থেকে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মগুলি। এই ধরনের পোস্ট যাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্তেজনা না ছড়ায় তার জন্য কড়া নজর রাখছে সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মগুলি। সম্প্রতি অযোধ্যা মামলা নিয়ে কোনোরকম আপত্তিকর পোস্ট না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে নেটিজেনদের।

আপাতত শাস্তির কথা বলে কিছু সময় নেটিজেনদের আটকানো যেতে পারে। তবে সমাজবিদদের এর মত অনুযায়ী এ ধরনের ঘটনা আটকাতে গেলে প্রয়োজন কড়া শাস্তির। সাইবার ক্রাইমের আওতায় ফেলে দোষীদের কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করলে তবেই এ ধরনের ঘটনাকে আটকানো যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এ ধরনের ঘটনা আটকাতে কেন্দ্র-রাজ্য যে একই সাথে একই অভিমত পোষণ করবে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচিকর মন্তব্য বা ছবি আটকানোর জন্য যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা কতদিন কার্যকরী থাকে সেদিকে নজর রাখবেন সমাজবিদরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!