এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > মুর্শিদাবাদে অধীর-ম্যাজিক অব্যাহত, এবার তাঁর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রাক্তন হেভিওয়েট বিধায়ক

মুর্শিদাবাদে অধীর-ম্যাজিক অব্যাহত, এবার তাঁর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রাক্তন হেভিওয়েট বিধায়ক

মুর্শিদাবাদ জেলা ও অধীর রঞ্জন চৌধুরী যেন একে অপরের সমার্থক হয়ে গিয়েছিল। নিজের ‘গরীবের রবিনহুড’ ভাবমূর্তি নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলাকে কার্যত ‘কংগ্রেসের-গড়’ করে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু বিগত বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট করে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারানোর পরিকল্পনা করতেই যেন – তাঁকে রাজনৈতিকভাবে শেষ করে দেওয়ায় মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় শাসকদলের।

মুর্শিদাবাদ জেলার পর্যবেক্ষক করা হয় দলের দাপুটে মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। শুভেন্দুবাবু দায়িত্ব নিয়েই, ক্রমশ ভাঙতে থাকেন কংগ্রেসকে। প্রথমে একে একে জেলার সবকটি পুরসভার দখল নেওয়ার পর – ধীরে ধীরে গ্রামাঞ্চলে কংগ্রেসকে ভাঙতে থাকেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে তারফলে তৃণমূল কংগ্রেস মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদও দখল করে। আর তারপরেই শুভেন্দুবাবু কংগ্রেস বিধায়কদের শাসকদলে যোগদান করাতে শুরু করেন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

সবমিলিয়ে শুভেন্দুবাবু মুর্শিদাবাদে পা রাখা মানেই কংগ্রেসের অবশ্যাম্ভাবী ভাঙ্গন এবং অধীরবাবুকে রাজনৈতিকভাবে শেষ করে দেওয়ার প্রকাশ্য হুঙ্কার। কিন্তু, এবার সেই অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে উলটপুরাণ ঘটল মুর্শিদাবাদে। তাঁর হাত ধরে কয়েকশো কর্মী সমর্থক নিয়ে বহরমপুরে জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন জঙ্গিপুরের দুবারের আরএসপি বিধায়ক তথা দীর্ঘদিনের বাম নেতা আবু হাসনাত।

নতুন রাজনৈতিক সাথীকে পাশে পেয়ে অধীরবাবু এদিন হুঙ্কার ছাড়লেন, মুর্শিদাবাদ জেলায় তৃণমূলের অবস্থা শোলে সিনেমার মত হবে, এই জেলায় তৃণমূলকে দিনের বেলায় হ্যারিকেন নিয়ে খুঁজতে হবে। দীর্ঘদিনের বাম আন্দোলনের নেতা আবু হাসনাত কোন দিন তৃণমূলের মত ঘরের টাকা লুঠ করে বা চাকরির নামে তোলা তুলে নেতা হননি। সত্‍, সুবক্তা ও একজন নামকরা বিধায়ক ছিলেন আবু হাসনাত সাহেব। পাশাপাশিই তিনি স্লোগান তোলেন – মুর্শিদাবাদের তিনে তিন তৃণমূলকে কবর দিন।

প্রসঙ্গত, বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই দলে দলে তৃণমূল কর্মী-সমর্থক কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন। শুভেন্দু অধিকারী যেমন মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসকে সাইনবোর্ড করে দেওয়ার পন নিয়েছেন, তেমনই অধীরবাবুও যেন মরিয়া নিজের রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনে। আর তাই তিনি এদিন বলেন, এই জেলায় তৃণমূল তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ছে, টাকা দিয়ে পয়সা দিয়ে ভয় দেখিয়ে আর কর্মীদের আটকে রাখা যাচ্ছে না। ৮০% তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের দেহ তৃণমূল আর মন কংগ্রেসের। তারা সুযোগ খুঁজছেন কবে তারা কিভাবে জাতীয় কংগ্রেসে ফিরে আসবেন। বামফ্রন্টের একজন আমাদের সাথে যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে মানুষ বুঝে গিয়েছে, তৃণমূলকে যদি কুপোকাত্‍ করতে হয় তবে কংগ্রেসের হাত শক্ত করো।

Top
error: Content is protected !!