এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > প্রাক্তন সাংসদ ও মন্ত্রীর চাপানউতোর, মমতার চিন্তা বাড়ছে

প্রাক্তন সাংসদ ও মন্ত্রীর চাপানউতোর, মমতার চিন্তা বাড়ছে

প্রাক্তন সাংসদ ও উত্তর চব্বিশ পরগনার তৃণমূলের জেলা সভাপতি ও রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের চাপানউতোর নিয়ে জোর শোরগোল রাজ্যে। ধর্ণা মঞ্চ থেকে ঠাকুরনগরের ঠাকুবাড়ির পরিচয়কে প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন জ্যোতিপ্রিয়। এদিন ধর্নামঞ্চে তিনি বলেন, ‘হরিচাঁদ-গুরুচাদ মৈথিলি ব্রাহ্মণ। মতুয়া না।’

আর এই নিয়েই ঠাকুরবাড়ির মমতাবালা বলেন, ‘আমাকে কারোর পছন্দ নাও হতে পারে কিন্তু হরি ঠাকুর, গুরু ঠাকুর মতুয়া নন এটা বলাটা ঠিক নয়। এনারাই মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রবর্তক। মতুয়ারা বিষয়টা ভালোভাবে নেবে না। তারা ঠিক এর জবাব দেবে।’

উত্তর চব্বিশ পরগনার তৃণমূলের জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে দলেরই প্রাক্তন সাংসদ তথা মতুয়া মহাসঙ্ঘের সংঘাধিপতি মমতাবালা ঠাকুরর সম্পর্কে যে চিড় ধরেছে এদিনের ঘটনাতেই তা স্পষ্ট। রাজ্যের তৃণমূলের দুজনেই সক্রিয় কর্মী, দুজনেই রয়েছেন তৃণমূলকে উত্তর চব্বিশ পরগনায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দ্বায়িত্বে। তাই তাদের এহেন সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় কপালে ভাজ পড়ছে উত্তর চব্বিশ পরগনার তৃণমূলের সক্রিয় কর্মীদের কপালে।

প্রসঙ্গত, হরিচাঁদ ঠাকুরের ভাই গুরুচাঁদ ঠাকুরের নাতবউ হলেন বড়মা অর্থাত্‍ প্রয়াত বীণাপানি দেবী। স্বামী প্রমথরঞ্জন ঠাকুর মারা গেলে মতুয়া সম্প্রদায়ের দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নেন এই বড়মা। আজও বীণাপানি দেবীকে এই নামেই মতুয়া সম্প্রদায় চেনেন।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে মঙ্গলবার থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধর্ণায় বসেছে তৃণমূল। জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের দাবি মতুয়াদের স্বার্থ রক্ষার্থে তাদের এই আন্দোলন। কিন্তু এই ধর্ণায় যোগ দেননি মতুয়া মহাসঙ্ঘের সংঘাধিপতি তথা তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর যা নিয়েই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। কারণ নিয়ে শুরু হয়ে গেছে জোর জল্পনা । এরপরেই আবার জল্পনা বাড়িয়ে মমতাবালা জানিয়েছেন , এটা যে মতুয়াদের ধর্না এবিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। দল নির্দেশ দিলেও তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অসুস্থতার জন্য তিনি আসতে পারবেন না।

মতুয়া ধর্নায় মমতাবালার অনুপস্থিতি ঘিরে পারদ যখন চরছে তখনি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন ‘কে এল, কে এল না, তাতে কিছু যায় আসে না। মতুয়া কোনও পরিবারের না। উনি আসবেন, আসবেন না, ওনার ব্যাপার।’ ফলে সম্পর্ক যে তলানিতে ঠেকেছে তা বোঝাই যাচ্ছে।তবে এর প্রভাব যাতে না পরে তার জন্য কি ব্যাবস্থা নিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই দিকেই তাকিয়েই রাজনৈতিকমহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!