এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিজেপি নয় কংগ্রেসই রাজ্যে একমাত্র বিকল্প! দলবদল করে জানালেন প্রাক্তন সাংসদ

বিজেপি নয় কংগ্রেসই রাজ্যে একমাত্র বিকল্প! দলবদল করে জানালেন প্রাক্তন সাংসদ

সামনেই দীপাবলি – আর তার আগেই প্রায় গোটা দেশ নির্বাচনের আবহে। কোনো রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন তো কোথাও উপনির্বাচন। লোকসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পরেই মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানাতে বিধানসভার সাধারণ নির্বাচন হতে চেলছে আগামী ২১ শে অক্টোবর। এর পাশাপাশিই গোটা দেশের আরও মোট ৫১ টি আসনে হবে বিধানসভা উপনির্বাচন। স্বাভাবিকভাবেই ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে জেতার পর থেকেই সমগ্র দেশের বিধানসভাগুলি দখলের লক্ষ্যে বিজেপি ক্রমাগত তাদের সংগঠনের জোর বাড়িয়ে চলেছে।

গেরুয়া শিবিরের ‘স্বর্নযুগ’ আনার লক্ষ্যে সকল বিরোধীদের অনেকটাই পেছনে ফেলাই লক্ষ্য এখন নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহদের। আর ভোট প্রাক্কালে দল পরিবর্তন করা একটা স্বাভাবিক নিয়মের মধ্যেই যেন পড়ে। তবে শাসকদলেই যোগদান করার প্রবণতা বেশি থাকে। কিন্তু এবার ভিন্ন চিত্র ধরা পরল হরিয়ানায়। বিধানসভা নির্বাচনের জন্য হরিয়ানায় হাতেগোনা আর দুই সপ্তাহও বাকি নেই। কিন্তু তার আগেই হরিয়ানার আইএনএলডির শিবিরে ধাক্কা লাগলো।

প্রাক্তন সাংসদ চিরঞ্জিত সিং রোরি এবার যোগ দিলেন কংগ্রেসে। ভোটের আগে পর্যন্ত কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে আসার প্রবণতা বেশি লক্ষ‍্য করা যাচ্ছিল, কিন্তু এবারে উল্টো দৃশ্যও চোখে পরল। হরিয়ানা কংগ্রেসের প্রধান কুমারী শৈলজার উপস্থিতিতে কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রাক্তন সাংসদ চিরঞ্জিত সিং রোরি। এদিন সিরসা থেকে এই দলবদল এর অনুষ্ঠান হয়। চিরঞ্জিত সিং 2014 থেকে 19 পর্যন্ত সিরসার সাংসদ ছিলেন। তবে শক্তিবৃদ্ধির পাশাপাশিই আবার পাল্টা ধাক্কা লাগল হাত শিবিরে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

হরিয়ানা কংগ্রেসের প্রাক্তন প্রধান অশোক তানোয়ার দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ইতিমধ্যেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। সিরসা থেকে 2009 এবং 2014 সালে বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করে তিনি অসফলতা লাভ করেন। অন্যদিকে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার সাথে সাথেই রোরি বলেছেন, রাজ্যে কংগ্রেস বিজেপির বিকল্প হিসেবে রাজ্য শাসনের ভার গ্রহণ করবে। ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে বিজেপি থেকে কয়েক কদম এগিয়ে আছে কংগ্রেস বলে তিনি দাবি করেন।

গত বছর থেকেই আইএনএনডিতে বিভাজন হওয়ার ফলে শক্তি বিহীন অবস্থায় রয়েছে প্রাক্তন এই শাসক দলটি। দলের বেশিরভাগ ভাগ জনপ্রতিনিধি দলবদল করে হয় বিজেপি, নাহয় কংগ্রেস, কিংবা জননায়ক জনতা পার্টিতে যোগ দিয়েছেন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, হরিয়ানায় তুলনামুলকভাবে কংগ্রেসের থেকে বিজেপি বেশ কয়েক কদম এগিয়ে আছে – এর আগেও বিজেপি শাসন ক্ষমতায় এসেছে।

এবার দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতা দখল করতে বিজেপি বিধানসভা নির্বাচনে আটঘাট বেঁধে নামছে। তাই দলবদল করে বিজেপি থেকে কংগ্রেস বা কংগ্রেস থেকে বিজেপি বা অন্য দল থেকে যে দলেরই যাক না কেন, হরিয়ানায় বিজেপি শক্তি বেশ জোরদার বলে মনে করা হচ্ছে। হরিয়ানা বিধানসভা ভোটের আগে এই দলবদল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন কোনো বদল আনে কিনা সে দিকে চোখ রাখবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!