এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > যে কোন মুহূর্তে দল থেকে বহিস্কৃত হয়ে যেতে পারেন রাজ্যের প্রাক্তন দাপুটে মন্ত্রী! বাড়ছে জল্পনা

যে কোন মুহূর্তে দল থেকে বহিস্কৃত হয়ে যেতে পারেন রাজ্যের প্রাক্তন দাপুটে মন্ত্রী! বাড়ছে জল্পনা

বাংলার রাজনীতি বর্তমানে এক সন্ধিক্ষনে এসে দাঁড়িয়েছে। বাংলায় বাম জামানার ৩৪ বছরের অবসান করে মানুষ দায়িত্ব দেয় তৃণমূল কংগ্রেসকে। কিন্তু, তাও এতদিন রাজ্যে অন্তত প্রাপ্ত ভোটসংখ্যার ভিত্তিতে প্রধান বিরোধী আসনটা ধরে রেখেছিল বামফ্রন্ট। কিন্তু বিগত লোকসভা নির্বাচনে আসন সংখ্যা শূন্যতে নেমে যাওয়ার পাশাপাশি, প্রাপ্ত ভোট অঙ্ক রীতিমত আতঙ্কিত করে তুলেছে বাম সনর্থকদের। তৃণমূলকে হারাতে আমজনতার ভরসার জায়গা হয়ে উঠছে গেরুয়া শিবির।

আর তাই, বামের ভোট রামে চলে তো যাচ্ছেই। বাম নেতা-কর্মী-সমর্থকরাও আপাতত আশ্রয় খুঁজছেন সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর মতাবলম্বী গেরুয়া শিবিরেই। এই কঠিন সময়ে যেখানে সংগঠন বাঁচিয়ে রাখাই দায় হয়ে উঠেছে, সেখানে বাম নেতৃত্ব কিন্তু এখনও ব্যস্ত দলের শুদ্ধিকরনে। আর তাই দুর্দিনের বাজারেও যেমন রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছেঁটে ফেলতে দুবার ভাবে নি বাম নেতৃত্ব, তেমনি এবার কড়া পদক্ষেপ হতে চলেছে আরেক হেভিওয়েট নেতার বিরুদ্ধে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, এবার দলবিরোধী কাজের জন্য ও দলীয় পথ অমান্য করার জন্য দল থেকে বহিস্কৃত হতে চলেছেন গড়বেতার একদা দাপুটে নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষ। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই তিনি দল থেকে সাসপেন্ডেড। এমনকি, সূত্রের খবর, তিনি শো-কজের যে জবাব দিয়েছেন, তাতেও খুশি নয় দল। সুশান্তবাবুর জেলা কমিটি (পশ্চিম মেদিনীপুর) থেকে সাসপেনশনের চিঠি এসেছে রাজ্য কমিটিতে। সেখানে আপাতত দুই সদস্যের কমিশন (আভাস রায়চৌধুরী ও রামচন্দ্র ডোম) এই নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

তবে, সিপিএমের অন্দরমহলে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, এই দুর্দিনের বাজারে দলীয় নেতৃত্ব হয়ত তাঁকে নিয়ে কিছুটা নরম মানসিকতা দেখাত। অনেকেই বলেছেন, সুশান্তবাবু নিজের ক্ষোভ পার্টির কাছে না বলে প্রকাশ্যে বলে ও উপদলীয় কাজ করে ঠিক করেননি। তার বদলে কড়া শাস্তি হোক, কিন্তু বহিষ্কারের দরকার নেই। তবে, সূত্রের খবর সুশান্তবাবুর কফিনে শেষ পেরেকটা পোঁতা হয়ে গেছে অনিল বসুর স্মরণসভায় গিয়ে।

পার্টির নির্দেশ অমান্য করে সেখানে শুধু তিনি যানই নি, উল্টে বলে বসেন – চোখে চোখ রেখে ভুলকে ভুল বলতে পারার ক্ষমতা বর্তমান নেতৃত্বের নেই, কোন প্রতিবাদের ভাষা তাদের জানা নেই। আর এই ধরনের ‘অপমান’ মেনে নিয়ে মুখ বুজে হাতে রাজি নন আলিমুদ্দিনের কর্তারা! ফলে, একসময় যাঁর ডাকে গড়বেতা তো বটেই প্রায় গোটা রাজ্যেই বাঘে-গরুতে এক ঘাটে জল খেত, সেই সুশান্ত ঘোষকে এবার দল থেকেই বহিস্কৃত হতে হচ্ছে বলেই অভিমত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!