এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > এবার কি কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন রাজ্যের এই প্রাক্তন হেভিওয়েট সাংসদ? জল্পনা তুঙ্গে

এবার কি কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন রাজ্যের এই প্রাক্তন হেভিওয়েট সাংসদ? জল্পনা তুঙ্গে

লোকসভা নির্বাচনের আগে আর হাতে গোনা কয়েকটা মাস – কিন্তু এখন থেকেই সেই নির্বাচনকে লক্ষ্যে রেখে পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। আর, তারই অন্যতম অঙ্গ হিসাবে রাজ্য-রাজনীতির বিভিন্ন হেভিওয়েট নেতা-নেত্রীর দলবদলের খবর আসছে প্রায়শই। তবে, এতদিন এই দলবদলের খবরের দুই মুখ্য চরিত্র ছিল রাজ্যের দুই যুযুধান প্রধান প্রতিপক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি।

কিন্তু, অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে সোমেন মিত্রকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করার পর থেকেই – যেন উল্টো হাওয়া বইতে শুরু করেছে কংগ্রেসের পালে। সোমেনবাবু দায়িত্ত্ব নিয়েই ঘোষণা করেছিলেন, কংগ্রেস ছেড়ে অন্যান্য দলে যাঁরা চলে গেছেন, তাঁদের ফেরানোর পাশাপাশি – অন্যান্য দল থেকেও যাঁরা কংগ্রেসে আসতে চান তাঁদের স্বাগত জানাবেন। আর সেইমতো কিছুদিন আগেই আমডাঙার প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক আব্দুস সাত্তার যোগ দেন কংগ্রেসে।

আর এবার সিপিএমের প্রাক্তন হেভিওয়েট সাংসদ লক্ষ্মণ শেঠ যোগ দিতে পারেন কংগ্রেসে বলে তীব্র জল্পনা ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। লক্ষ্মণ শেঠকে হলদিয়ার অঘোষিত সর্বেসর্বা বলা হত – কিন্তু নন্দীগ্রাম কাণ্ডের পর থেকেই নন্দীগ্রামের হাত ধরে গোটা পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কার্যত অধিকারী-গড়ে পরিণত হয়। ক্ষমতা হারানোর পাশাপাশি লক্ষ্মণবাবুর নামে একাধিক মামলাও রুজু হয়। আর তাই, আদর্শগতভাবে সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর দল বিজেপিতে নাম লেখান।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

কিন্তু, সেখানে তাঁকে বা তাঁর অনুগামীদের কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে তিনি দল ছেড়েছেন সদ্য। এরপরেই জল্পনা ওঠে, লক্ষ্মণবাবু নাকি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করতে চান। এমনকি তিনি নিজেই প্রকাশ্যে বলেন রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নাকি তাঁর শাসকদলে যাওয়া আটকে দিচ্ছেন। কিন্তু এরপরেই, পূর্ব মেদিনীপুরে প্রশাসনিক সভা করতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে দেন লক্ষ্মণ শেঠের তৃণমূল কংগ্রেসে কোন স্থান নেই।

আর তারপর থেকেই জল্পনা চলছিল যে লক্ষ্মণবাবু এবার কংগ্রেসে যোগদান করতে পারেন। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর বাড়িতে গিয়ে তিনি দু-দুবার বৈঠক করে এসেছেন। আর সেই বৈঠক বেশ ফলপ্রসূ – লক্ষ্মণবাবুর দাবি তিনি নাকি স্বয়ং কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধীর হাত থেকে জাতীয় কংগ্রেসের পতাকা হাতে নিয়ে দলে যোগ দিতে চান। কিন্তু, সেটা কতদূর সম্ভব তা নিয়ে সন্দিহান বিধানভবনের কর্তারা। তবে, নতুন বছরের শুরুতেই হাত শিবিরে লক্ষ্মণ শেঠের উপস্থিতি এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!