এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মহিলার ওড়না টানা নিয়ে মন্তব্য করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তাতেও বাড়ল বিতর্ক

মহিলার ওড়না টানা নিয়ে মন্তব্য করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তাতেও বাড়ল বিতর্ক



একদিকে অত্যন্ত কষ্টে কর্নাটকের সরকারে দিকে রয়েছে তারা। আর এবার গোদের উপর বিষফোঁড়া হিসেবে সেই কর্ণাটকে এক সাধারন মহিলার ওড়না টানাকে কেন্দ্র করে তীব্র অস্বস্তিতে পড়ল হাত শিবির। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে কর্ণাটক প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মাইসোরে একটি প্রশ্নোত্তর পর্বের আয়োজন করা হয়েছিল।

যেখানে উপস্থিত ছিলেন কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া। জানা যায়, এই সভায় হঠাৎই সিদ্দারামাইয়ার উদ্দেশ্যে এক মহিলা একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন করে বসেন। আর এই প্রশ্ন শুনেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন সেই কংগ্রেস নেতা। তাঁর রাগের মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে তিনি ওই মহিলার ওড়না টেনে তাঁকে জোর করে বসিয়ে দেন।

কিন্তু ভাঙলেও মচকাতে রাজি নন সেই মহিলাও। তিনি দাঁড়িয়ে ফের সেই প্রশ্ন করতে গেলে তাকে ফের নিজের আসনে বসিয়ে দেন সিদ্দারামাইয়া। আর এই ওড়না টানার ভিডিও মুহুর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেলে তীব্র অস্বস্তিতে পড়ে কংগ্রেস নেতৃত্বরা।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়া এহেন আচরণের তীব্র নিন্দা করে গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা প্রকাশ জাভড়েকর। এদিন তিনি বলেন, “কংগ্রেস নেতার এহেন আচরণ থেকেই বোঝা যায় যে মেয়েদের কংগ্রেস ঠিক কতটা সম্মান করে! এবার রাহুল গান্ধীকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তিনি সিদ্দারামাইয়াকে ঠিক কি শাস্তি দেবেন!”

কিন্তু হঠাৎ কি এমন প্রশ্ন করেছিলেন তিনি, যার কারণে সিদ্দারামাইয়া তাঁর ওড়না টেনে ধরলেন? এদিন এই প্রসঙ্গে সেই অভিযোগকারিণী মহিলা কংগ্রেস কর্মী জামালা বলেন, “আমি টেবিলে চাপড় দেওয়াতেই উনি রেগে গিয়েছিলেন। ওনার এই ধরনের আচরণ করা উচিত হয়নি।”

এদিকে সিদ্দারামাইয়ার এহেন আচরণকে কংগ্রেস যে সমর্থন করেন না এদিন সেই প্রসঙ্গে মুখ খুলে দলের অবস্থান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন কর্নাটকের কংগ্রেস সভাপতি দীনেশ গুন্ডুরাও। এদিন তিনি বলেন, “এই ঘটনার ভিডিও আমি দেখেছি। একটা অনিচ্ছাকৃত ঘটনা ঘটে গিয়েছে। তবে এই ধরনের ঘটনাকে কংগ্রেস সমর্থন করে না।” কিন্তু কেন তিনি এরকম করলেন?

এদিন এই প্রসঙ্গে সেই সিদ্দারামাইয়া বলেন, “ওই মহিলা কর্মীর দীর্ঘ বক্তৃতা আমি থামাতে চেয়েছিলাম। আর সেই সময় একটা বিপত্তি ঘটে। পুরোটাই একটা দুর্ঘটনা। আমি ওর মহিলা কংগ্রেস কর্মীকে দীর্ঘ 15 বছর ধরে চিনি। উনি আমার বোনের মতো। এর মধ্যে কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিরোধী দল হোক বা নিজের দল – দলীয় কর্মীর ওড়না টানাকে কেন্দ্র করে সিদ্দারামাইয়া যেভাবে প্রত্যেকের চোখেই খারাপ হতে শুরু করেছেন তাতে যে তাঁর অস্বস্তি বাড়বে তা ভেবে নিয়েই এবার ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে সেই মহিলাকে বোন বলে অভিহিত করলেন তিনি। কিন্তু এতে আদৌ চিঁড়ে ভিজবে কিনা এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!