এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বেজে গেল লোকসভা ভোটের দামামা, রাজ্য পুলিশ নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্তের পথে জাতীয় নির্বাচন কমিশন

বেজে গেল লোকসভা ভোটের দামামা, রাজ্য পুলিশ নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্তের পথে জাতীয় নির্বাচন কমিশন

দেখতে দেখতে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার পাঁচ বছর পূর্ন করতে চলল। ফলে সময় এসেছে আবার দেশজুড়ে সাধারণ নির্বাচনের। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ সম্পূর্ণ। অন্যদিকে, গতকালই নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে আগামী নির্বাচন ঘোষণা হতে পারে মার্চের প্রথম সপ্তাহে এবং ৬-৭ দফায় হতে পারে সেই নির্বাচন।

আর এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য পুলিশ নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। দিল্লির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন থেকে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিককে পাঠানো এক নির্দেশিকা অনুসারে, তিন বছরের বেশি যেসব অফিসার এক জায়গায় পোস্টিং আছেন তাঁদের সরিয়ে দিতে হবে। আর এই নির্দেশিকা তাঁদের ঘিরেই যাঁরা নির্বাচনের কাজে যুক্ত থাকেন – যেমন, সাব ইন্সপেক্টর থেকে আইপিএস অফিসার এবং বিডিও থেকে আইএএস অফিসার।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

রাজ্য জুড়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধীদের অভিযোগ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কোনোমতেই রাজ্যের বাহিনীকে নির্বাচনের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া যাবে না, নির্বাচন করাতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে। বিরোধীদের অভিযোগ, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে গেছে রাজ্য পুলিশের নামে রাজ্য সরকার কার্যত সিভিক পুলিশ, বনকর্মী বা আবগারি কর্মী দিয়ে নির্বাচন করায়। তাতে না ভোটকর্মী না সাধারণ মানুষ – কারোর নিরাপত্তায় ঠিকঠাক রক্ষিত হয়। উল্টে নাকি, এই কর্মীরা নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন।

এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ আশার আলো জাগাচ্ছে বিরোধীদের মধ্যে। যদিও নবান্ন সূত্রের দাবি, এইরকম যে হতে পারে তা আন্দাজ করেই ইতিমধ্যেই বদলির প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই আইসি বা ডিএসপি পর্যায়ের অফিসারদের বদলি শুরু করা হয়েছে – বাকি অনেকের তালিকায় তৈরী আছে, যে কোন দিন বদলি হবে। তবে, বিরোধীদের দাবি রাজ্য সরকার এখন বদলিটা নিজেদের সুবিধামত করছে, কিন্তু নির্বাচন ঘোষণা হলেই নির্বাচন কমিশন আরেকদফা বদলি করিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দিকে হাঁটবে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!