এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ফের সংঘাতে জড়ালেন মমতা, জেনে নিন

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ফের সংঘাতে জড়ালেন মমতা, জেনে নিন

অতীতেও নানা কারণে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে দেখা গেছে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর এবার ফের ঝাড়খন্ড বিধানসভা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে বাংলা থেকে 34 জন আইএএস কর্তাকে নিয়োগের নির্দেশে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উষ্মা প্রকাশ করলেন বাংলার প্রশাসনিক প্রধান।

বস্তুত, ঝাড়খন্ড বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে 41 জন আধিকারিকের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তাদেরকে আগামী 31 অক্টোবর দিল্লিতে বাধ্যতামূলক একটি প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, যে 41 জনের নাম প্রকাশিত হয়েছে, তার মধ্যে 34 জনই বাংলার আইএএস অফিসার।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

আর বাংলা থেকে একেবারে এত বিপুলসংখ্যক আইএএস অফিসার তুলে নেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নিয়েছে, এবার তাকেই “একতরফা” বলে ব্যাখ্যা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই বছরের শুরুর দিকে লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকেই বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পৌঁছেছিল। সারাদেশে মডেল আচরণবিধি ছিল এবং পোল প্যানেলের সিদ্ধান্তে লড়াই করা রাজ্যের পক্ষের কঠিন ছিল। এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। রাজ্য সরকার বিকল্প নাম না পাঠিয়ে 31 অক্টোবর প্রশিক্ষণে নাও পাঠাতে পারে।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবারও বিদ্রোহ ঘোষণার ফলে কেন্দ্র বনাম রাজ্যের তিক্ততার সম্পর্কই প্রকট হতে চলেছে বলে মনে করছে একাংশ। তবে যে যাই বলুন না কেন, বাংলা থেকে এত পরিমাণে বিপুল অফিসারকে নির্বাচনের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এই প্রশ্নকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরব হওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

তবে শেষ পর্যন্ত এখন নির্বাচন কমিশন রাজ্য থেকে বিপুল অফিসার চাইলেও তা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয় কিনা, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!