এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > নির্বাচনের আগে রাজ্যে আরও ১০ হাজার অপরাধীর জেলযাত্রা নিশ্চিত, কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না কমিশন

নির্বাচনের আগে রাজ্যে আরও ১০ হাজার অপরাধীর জেলযাত্রা নিশ্চিত, কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না কমিশন


লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট প্রকাশের অনেক আগেই বিভিন্ন জেলাকে জামিন যোগ্য এবং জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। তবুও এখনো বেশ কয়েকটি জেলায় এখনো গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর হয়নি। এখনো রাজ্যজুড়ে প্রায় ১০ হাজার অপরাধী এখনো ধরা পড়েনি। এমন খবর নির্বাচন কমিশনের কাছে যেতেই অবিলম্বে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এদের সকলকেই আগে জেলবন্দি করার ফতোয়া জারি করেছে রাজ্য প্রশাসন।

বিজেপি রাজ্যের প্রতিটি বুথকে অতি স্পর্শকাতর দাবী করার পর শনিবার রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কোলকাতায় এলেন উপ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈনের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। জেলাগুলির তরফ থেকে কমিশনের প্রতিনিধি দলের কাছে সার্বিক ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে দুটি রিপোর্ট পেশ করা হয়। একটি রিপোর্টে জেলার নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলাজনিত তথ্য পেশ করা হয়।

অন্য রিপোর্টে জেলার সার্বিক ভোট প্রস্তুতি কোন পর্যায়ে রয়েছে তা তুলে ধরা হয়। তবে বেশ কয়েকটি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বেশ অসন্তুষ্ট হয়েছে কমিশন। বৈঠক সূত্রেই উঠে এসেছে জামিনযোগ্য এবং জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা লাগু না হওয়ার বিষয়টি। আর তারপরই অবিলম্বে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার নির্দেশ দিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। ভোটের আগে যে কোনো অপরাধীকে জেলের বাইরে দেখতে চাইছে না কমিশন,সেটাও স্পষ্ট করে দিল শনিবারের নির্দেশে।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

উল্লেখ্য,নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে ইতিমধ্যেই একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে জেলাগুলি। নাকা চেকিংয়ের সঙ্গে সঙ্গে সীমান্তবর্তী জেলার সীমানা সিল করা,সরকারি বিজ্ঞাপনের হোডিং সরানো কাজ চলছে জোরকদমে। তাছাড়া রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় পৌছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। উত্তর দিনাজপুর, মালদহ,মুর্শিদাবাদ,দুই মেদিনীপুর,উত্তর ২৪ পরগনা,দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও কোলকাতাকে ১০ কোম্পানি বাহিনী এসে গিয়েছে রাজ্যে।

পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে আরো বাহিনী আসবে বলেই জানিয়েছেন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী অাধিকারিক সঞ্জয় বসু। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাজ্যে স্বাগতও জানিয়েছে রাজ্যসরকার। এ প্রসঙ্গপ ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য,’কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটের সময় আসে, আবার চলেও যায়। তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না, অসুবিধা নেই। আগের নির্বাচনেও বাহিনী ছিল। কিন্তু তাও আমরা ২১১টা সিট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলাম। উলুবেড়িয়া লোকসভা উপনির্বাচনে পাঁচ লক্ষ ভোটে জিতেছে তৃণমূল। দুই জায়গার বিধানসভা উপনির্বাচনে ৬০ হাজার ভোটে জিতেছেন আমাদের প্রার্থীরা।’

অর্থাৎ মন্ত্রী বলতে চাইলেন,বিজেপি সরকার যতোই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারিতে ভোট করাক না কেন পশ্চিমবঙ্গে জয় হবে কেবল তৃণমূলেরই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে মানুষ সুরক্ষিত রয়েছে বলেই দাবী করে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ফিরহাদ হাকিম জানালেন,’বিরোধীরা যাই করুক, মানুষ তো আমাদের ভোট দিচ্ছে এবং সুরক্ষা, উন্নয়নের পক্ষে দাঁড়িয়ে ভোট দেবে।’

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!