এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > আবার কি গেরুয়া শিবিরে ফিরতে মরিয়া একদা মোদির বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’ করা হেভিওয়েট নেতা?

আবার কি গেরুয়া শিবিরে ফিরতে মরিয়া একদা মোদির বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’ করা হেভিওয়েট নেতা?

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচন বহু দিক থেকেই বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। একদিকে যখন বিজেপির ইতিহাসে প্রথমবারের জন্য টানা দ্বিতীয়বার পূর্ণ সময়ের কেন্দ্র সরকারে ফেরার লড়াই লড়ছিলেন নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহরা, অন্যদিকে তখন তাঁদের আটকাতে দীর্ঘদিনের বৈরিতা ভুলে হাত মেলাতে উদ্যত হয়েছিলেন সম্মিলিত বিরোধীরা। ফলে লোকসভা নির্বাচনে, একের বিরুদ্ধে এক লড়াইয়ের পরিস্থিতি তৈরী হচ্ছিল।

যা দেখে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা, ভাবতে শুরু করেছিলেন, যতই মোদির হাত ধরে গেরুয়া ভোটব্যাঙ্কের বৃদ্ধি ঘটুক – একের বিরুদ্ধে এক লড়াই হলে, লোকসভা নির্বাচনের বৈতরণী পার করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে বিজেপির কাছে। কিন্তু, সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজেদের ভাবনা-চিন্তা বা কঠোর পদক্ষেপ থেকে এক চুলও সরে আসতে রাজি ছিলেন না মোদী-শাহ জুটি। উল্টে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দৃপ্ত কন্ঠে জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে কিছু করছেন না, করছেন দেশের উন্নতির জন্য।

একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি যে দেশের উন্নতির জন্য লড়াই করছেন, তা দেশের জনগণ অনুধাবন করছেন এবং তাঁরাই আবার বিজেপিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনবেন। কিন্তু, নরেন্দ্র মোদী যতই একথা বলুন, এর ফলে বাইরে বিরোধীরা এককাট্টা হওয়ার পাশাপাশি, ঘরের মধ্যেও তৈরী হচ্ছিল ‘শত্রু’! বিজেপির দীর্ঘদিনের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা তো প্রকাশ্যেই মোদী-বিরোধিতা শুরু করেন। এমনকি, মোদী-বিরোধিতা চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে বিজেপি সাংসদ হিসাবে বিরোধী জোটেও যোগ দেন তিনি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

কিন্তু, তাতেও তোলেন যায় নি মোদী-শাহকে। আর দিনের শেষে দেখা যায়, তাঁরাই ঠিক – কেননা যে পাটনাসহিবের দীর্ঘদিনের সাংসদ ছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা, সেখান থেকেই বিরোধী জোটের প্রার্থী হয়ে তিনি বিজেপি প্রার্থী রবিশঙ্কর প্রসাদের কাছে হেরে যান। আর তাই কি এবার মোদী বিরোধিতা বা ‘বিদ্রোহ’ ভুলে তিনি আবার গেরুয়া শিবিরে ফিরতে মরিয়া? এই জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে – তার কারণ শত্রুঘ্ন সিনহার করা সাম্প্রতিক একটি ট্যুইট!

স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লা থেকে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে যে ভাষণ দিয়েছেন, তারই ভূয়সী প্রশংসা এবার ‘বিদ্রোহী’ শত্রুঘ্ন সিনহার গলায়! তিনি নিজের অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন, যেহেতু আমি সাদাকে সাদা বলার জন্য বিখ্যাত বা কুখ্যাত, আমি অবশ্যই স্বীকার করব মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ১৫ ই আগস্টের ভাষণ সাহসী, গবেষণামূলক এবং চিন্তার রসদযুক্ত। দেশের প্রধান সমস্যাগুলো যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

আর ‘বিহারীবাবু’ শত্রুঘ্ন সিনহার এমন ভূয়সী প্রশংসা যুক্ত ট্যুইট নিয়ে রীতিমত শোরগোল পরে গিয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। একদা ‘বিদ্রোহী’ হয়ে গেরুয়া শিবির ছেড়েছিলেন – যেখানে তিনি দায়ী করেছিলেন মোদী-শাহর একনায়কতন্ত্রকে! কিন্তু, বিরোধী শিবিরে গিয়ে দেখলেন, গোটা দেশ দুহাত তুলে নরেন্দ্র মোদির পাশেই আছে। আর তাই কি ‘বিদ্রোহ’ শিকেয় তুলে পুনরায় গেরুয়া শিবিরে স্থান পেতেই কি এবার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তাঁর প্রশংসার বন্যা? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!