এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > করোনা চিকিৎসা করতে গিয়ে এবার আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন খোদ ডাক্তার-নার্সরাই! বাড়ছে দুশ্চিন্তা

করোনা চিকিৎসা করতে গিয়ে এবার আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন খোদ ডাক্তার-নার্সরাই! বাড়ছে দুশ্চিন্তা


নভেল করোনা ভাইরাস নিছক সাধারণ ভাইরাস নয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জিনের গঠন বদলে এই ভাইরাসের চরিত্র বারবার বদলে যাচ্ছে। যার ফলে আরো সংক্রামক হয়ে উঠছে করোনা ভাইরাস। ইতিমধ্যেই ভারতে চার হাজার ছাড়িয়েছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। বিভিন্ন হসপিটালে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় দিনরাত এক করছেন চিকিৎসক এবং নার্সরা। কিন্তু করোনা ভাইরাসের হাত থেকে এবার আর রক্ষা পেলেন না ডাক্তার এবং নার্সরাও।

সূত্রের খবর, মুম্বাইয়ের ওখার্ড হসপিটালে ইতিমধ্যে তিনজন চিকিৎসক এবং 26 জন নার্স আক্রান্ত হয়েছেন। যার জেরে তড়িঘড়ি মুম্বাইয়ের ওখার্ড হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, যেসব জায়গায় করোনার সংক্রমণ সবথেকে বেশি, সেই জায়গাগুলির সঙ্গে বাইরের মানুষজনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে। অন্তত এক মাসের জন্য ওই জায়গাগুলিকে সিল করে দেওয়া হবে। চিহ্নিত হবে হটস্পট হিসাবে।

আর এই হটস্পটের তালিকাতে প্রথম নাম তুলে ফেলেছে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত ওখার্ড হসপিটাল। করোনার সংক্রমণের সবথেকে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে বাণিজ্য নগরী মহারাষ্ট্রে। ইতিমধ্যে সেখানে করোনা হটস্পট চিহ্নিত হওয়ায় জোর বেড়েছে টেস্টিং এবং কোয়ারেন্টাইনের। হসপিটালের 270 জন রোগী এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের ইতিমধ্যে শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, হাসপাতালে তিন জন চিকিৎসক এবং 26 জন নার্স আক্রান্ত হয়েছেন।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

আর তারপরেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি হসপিটালটি বন্ধ করতে বাধ্য হন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই হাসপাতালটিকে করোনা হটস্পট বলে চিহ্নিত করা হয়। পুরো হসপিটালটি  সিল করে দেওয়া হয়েছে সমস্ত রুগী এবং চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী সমেত বলে জানা গেছে। ওখার্ড হাসপাতালের আউটডোর সেকশনটি ইতিমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আপাতত হাসপাতালেই আইসোলেশন বিভাগ খোলা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

তাছাড়া হাসপাতালে উপস্থিত অন্যান্য রোগী এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য সেখানকার ক্যান্টিনেই খাবার রান্না করা হবে বলে খবর। আগামী এক মাস এই অবস্থা চলবে যতদিন না পরপর দুবার প্রত্যেকের করোনা ভাইরাসের টেস্টে নেগেটিভ রেজাল্ট আসে। ততদিন পর্যন্ত ওখার্ড হসপিটাল সিল থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। করোনায় গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কার বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আছে গোটা দেশ।

এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য একটাই, করোনাভাইরাসকে অন্যান্য দেশের মতো ভয়াবহ মহামারী হওয়া থেকে আটকানো। আপাতত সরকারের কথা অনুযায়ী দেশবাসীকে চলার আবেদন জানানো হয়েছে। লকডাউন মেনে প্রত্যেককে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সবকিছু হলেও এখনো পর্যন্ত কবে করোনা ভারত থেকে বিদায় নেবে, তা অবশ্য কারোরই জানা নেই। আর এরমাঝেই সাধারনের চিন্তা আরও বাড়িয়ে এবার ডাক্তার ও চিকিৎসাকর্মীরাও আক্রান্ত হতে শুরু করলেন।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!