এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > কি হলো বহু প্রতীক্ষিত ডি ও /বি এল ও মামলার? জেনে নিন কি হলো এখনো পর্যন্ত হাইকোর্টে

কি হলো বহু প্রতীক্ষিত ডি ও /বি এল ও মামলার? জেনে নিন কি হলো এখনো পর্যন্ত হাইকোর্টে

স্কুল চলাকালীন ভোটার তালিকা সংশোধনে শিক্ষকদের নিযুক্ত করা যাবে না। কখন শিক্ষকরা কাজ করতে পারবেন তা নির্দিষ্ট করতে হবে নির্দেশ বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর।

রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের দিয়ে ডিও/বিএলও ডিউটি করানো নিয়ে যে তীব্র বিতর্ক রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে এবং শিক্ষকদের প্রাথমিক কর্তব্য শিক্ষাদানের অঙ্গীকারকে রক্ষা করতে রাজ্যের হাজার হাজার প্রাথমিক শিক্ষক যে ‘যুদ্ধ’ কার্যত শুরু করেছেন – তার চূড়ান্ত ফয়সালা আজ হওয়ার কথা কলকাতা হাইকোর্টে। প্রাথমিক শিক্ষকদের দিয়ে যে ডিও বা বিএলও ডিউটি করানো হচ্ছে – তা কি আদৌ আইনসম্মত? সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশিকা তো বলছে শিক্ষকরা এই কাজ করতে বাধ্য নন – রাজ্য সরকার বা রাজ্য নির্বাচন কমিশন তা মানছেন না কেন? শিক্ষকদের নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করতে গেলে ঘোষিত ছুটি থাকতে হবে – এখানে সে নিয়ম কেন মানা হচ্ছে না? এইসব প্রশ্নেরই আজ ফয়সালা হওয়ার কথা কলকাতা হাইকোর্টে।

গত ২৬ সে সেপ্টেম্বর ইসলামপুরের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় ১২ ঘন্টার বাংলা-বন্ধ ডেকেছিল বিজেপি। সেই বনধকে ব্যর্থ করার সর্বাত্মক নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু, কলকাতা হাইকোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি অমল মুখোপাধ্যায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে এক আবেদন করে জানিয়েছিলেন যে সেদিনের বনধের পরিপ্রেক্ষিতে যানবাহনের অসুবিধার জন্য বা নিরাপত্তাজনিত কারণে আইনজীবীরা আদালতে আসতে সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই সেদিন যেন কোন মামলার শুনানি বা রায়দান না হয়। আর তারপরেই সরকার পক্ষের বা নির্বাচনে কমিশনের আইনজীবীকে ২৬ তারিখ আদালতে পাওয়া যায় নি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

প্রসঙ্গত, গত ২৬ সে সেপ্টেম্বর বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর এজলাসে অতি সংবেদনশীল ডিও/বিএলও মামলার রায়দান করার কথা থাকলেও সরকার পক্ষের বা নির্বাচনে কমিশনের আইনজীবীকে ২৬ তারিখ আদালতে পাওয়া যায় নি তাই সেদিন বিচারপতি রায় দেন নি। আজ প্রিয়বন্ধু মিডিয়ার তরফ থেকে ‘শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের ‘ মঈদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছিলেন যে মহামান্য বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর এজলাসে এই মামলার রায়দান হবে আজ দুপুর ২.৩০ টে তে। আমরা আশাবাদী যে মহামান্য আদালত সবদিক বিবেচনা করে মানবিক রায়ই দেবেন, আজ রায় শিক্ষকদের পক্ষেই যাবে।

আর এই মাত্র আদালত চত্বর থেকে আমাদের প্রতিনিধি মারফত জানা গেলো যে স্কুল চলাকালীন ভোটার তালিকা সংশোধনে শিক্ষকদের নিযুক্ত করা যাবে না। স্কুল চলাকালীন ভোটার তালিকা সংশোধনে শিক্ষকদের নিযুক্তি নয়। তবে ছুটির দিনে তালিকা সংশোধনের কাজ করতে পারবেন শিক্ষকরা।ব্যাহার করা যাবে না প্রাক্তন শিক্ষকদের। কখন শিক্ষকরা কাজ করতে পারবেন তা নির্দিষ্ট করতে হবে নির্দেশ বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর।নির্বাচন কমিশনার নির্দেশ খারিজ করা হলো।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!