এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো আমিও এক্সিট পোলেকে গুরুত্ব দিচ্ছি না, যা দেখানো হচ্ছে তা ধ্রুব সত্য নয় : দিলীপ ঘোষ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো আমিও এক্সিট পোলেকে গুরুত্ব দিচ্ছি না, যা দেখানো হচ্ছে তা ধ্রুব সত্য নয় : দিলীপ ঘোষ

এবারের লোকসভা নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই বাংলার প্রতি বাড়তি নজর দিয়ে বাংলার 42 টি লোকসভা আসনের মধ্যে 22 থেকে 23 টি আসন দখলের টার্গেট নিয়েছিল বিজেপি। আর শেষ তথা সপ্তম দফার নির্বাচনের পরেই বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, এবার তাদের যে টার্গেট ছিল 23 টি আসন, সেটাও তারা অতিক্রম করতে চলেছে।

অন্যদিকে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বিভিন্ন সমীক্ষক সংস্থার তরফে নানা সমীক্ষা প্রকাশ্যে আশায় এক্সিট পোলে দেখা গেছে যে, বাংলায় শাসক দল তৃণমূলের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলে অনেকটাই উত্থান ঘটেছে বিজেপির। যেখানে বিজেপি’র ঝুলিতে 11 থেকে 22 টি আসন যেতে পারে বলে দাবি করেছে বিভিন্ন সংস্থা। তবে এক্সিট পোলে বিজেপিকে যত আসন দেওয়া হয়েছে, তার থেকেও তারা অনেক বেশি আসন বাংলা থেকে পাবে বলে এদিন জানিয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

সূত্রের খবর, এদিন শিলিগুড়ি ছেড়ে কলকাতা রওনা দেওয়ার আগে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বলেন, “এক্সিট পোলে যা দেখানো হচ্ছে তা ধ্রুব সত্য নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন এই এক্সিট পোলকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না, আমিও তেমনই এই এক্সিট পোলে বিশ্বাসী নই। ফল ঘোষণা হলে দেখা যাবে বিজেপি 24 টা এবং তৃনমূল 16 টা আসন পাবে।”

আর এরপরই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, “ভোটের ফল প্রকাশের পরই রাজ্যে তৃণমূলের সরকার ভেঙে পড়বে। কারণ নিজের দলের উপর কোনো নিয়ন্ত্রন নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সরকার ভেঙে পড়লেই তৃণমূল ছেড়ে অনেকে বিজেপিতে যোগ দেবে। আর এর ফলে রাজ্যে আমরা আরও অনেক শক্তিশালী হব।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্যের 40 জন তৃণমূল বিধায়ক তার সাথে যোগাযোগ রাখছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন। পাশাপাশি বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য তথা হেভিওয়েট বিজেপি নেতা মুকুল রায়ও তৃণমূলের অনেক নেতা মন্ত্রী তার সাথে যোগাযোগ রাখছেন বলে জল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আর এবার লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর রাজ্যে তৃণমূলের সরকারটাই পড়ে যাবে বলে মন্তব্য করে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল তুলে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

যদিও বা বিজেপির দিলীপ ঘোষের এহেন দাবিকে পাত্তা দিতে না তৃনমূল। তাদের দাবি, 42 এর মধ্যে 42 টা আসন দখল করে কেন্দ্রে এবার নির্ণায়ক শক্তি হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেস। তবে ঠিক কি হতে চলেছে রাজ্য রাজনীতিতে, তা আগামী 23 মে ভোটবাক্স খোলার পরই বোঝা যাবে বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

এদিকে এদিন শিলিগুড়ির সাংবাদিক বৈঠক থেকে রাজ্যের সন্ত্রাসের প্রসঙ্গ তুলে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, “আমি শুরুতেই বলেছিলাম যে রাজ্যে অশান্তি বাড়বে, সেটাই হল। আসলে তৃণমূল হারবে বুঝতে পেরে এখন সন্ত্রাস শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী সন্ত্রাসের মোকাবিলা করছে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন।”

সব মিলিয়ে একদিকে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে তুলোধোনা, অন্যদিকে ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা উসকে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!