এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > অধীর চৌধুরীর পর আরো দুই হেভিওয়েট কংগ্রেস নেতাকে দলে নিতে ঝাঁপালেন দিলীপ ঘোষ

অধীর চৌধুরীর পর আরো দুই হেভিওয়েট কংগ্রেস নেতাকে দলে নিতে ঝাঁপালেন দিলীপ ঘোষ

বাংলার রাজ্য-রাজনীতিতে ক্রমশ প্রধান বিরোধী দলের আসন দখলের পরিসর তৈরী হওয়ার পর থেকেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে দলে নিতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা তো অধীর চৌধুরীর খাসতালুক দাঁড়িয়েই তাঁকে সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিতে আহ্বান জানান। আর এবার অধীর চৌধুরীর পর আরো দুই হেভিওয়েট কংগ্রেস নেতাকে দলে নিতে ঝাঁপালেন বর্তমান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এমনিতেই গোটা রাজ্যে কংগ্রেস ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু শক্তি। কিন্তু তারপরেও হাতে গোনা কয়েকটি জেলায় নিজেদের ক্ষমতা ধরে রেখেছিল তারা – তারমধ্যে অন্যতম হল মালদা। মালদাতে এতদিন গনি খান চৌধুরীর নামে নির্বাচনী বৈতরণী পার করত তারা। কিন্তু এবারের পঞ্চায়েতেই প্রমাণিত গনি খান মিথ ক্রমশ অস্তমিত – এমনকি খোদ গনি খানের গ্রামেই হেরে বসে আছেন কংগ্রেস প্রার্থীরা।

আর তারফলে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে জেলার দুই কংগ্রেস সাংসদ তথা গনি খান পরিবারের সদস্য আবু হাসেম খান চৌধুরি ও মৌসম নূরের মধ্যে। ইতিমধ্যেই প্রদেশ কংগ্রেসের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা – ফলে দলবদলের জল্পনা আরো গতি পেয়েছে। এর মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে মালদার দায়িত্ত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক নেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, জেলার দুই শীর্ষ জনপ্রতিনিধির সঙ্গে নাকি কথা হয়েছে তাঁর – তাঁরা দলে যোগ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আর এর পরিপ্রেক্ষিতে এই দুই হেভিওয়েট কংগ্রেস সাংসদকে দলে নিতে এবার প্রকাশ্যে বার্তা দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মালদায় পঞ্চায়েতে বিজয়ী বিজেপি প্রার্থীদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, আমি শুনেছি, এই জেলার দুই সাংসদই না কি তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। সত্যিই তাঁরা এখন খুব দুর্বল হয়ে পড়েছেন। তাঁদের কোনও না কোনও ছাতার তলায় আসা দরকার। আমি বলব, বিজেপির দরজা অনেক বড়। আমরা সবার জন্য সেই দরজা খুলে রেখেছি। তাঁরা এলেও স্বাগত জানাব আমরা। এখন দেখার মালদার দুই দাপুটে সাংসদ তৃনমূল না বিজেপি কোন নৌকায় পা দেন, নাকি পুরোনো দল কংগ্রেসের উপরেই আস্থা রাখেন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!