এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > জনসংযোগে বেরিয়ে এনআরসি নিয়ে প্রশ্নে বড়সড় অস্বস্তিতে দিলীপ ঘোষ, দিলেন আশ্বাস

জনসংযোগে বেরিয়ে এনআরসি নিয়ে প্রশ্নে বড়সড় অস্বস্তিতে দিলীপ ঘোষ, দিলেন আশ্বাস

2019 এর লোকসভা ভোটে বিজেপি শিবিরের কাছে তৃণমূল দল কিছুটা হলেও কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। 2021 এর বিধানসভা ভোটকে মাথায় রেখে বর্তমানে তৃণমূল মেন্টর পিকের কথা অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজ্য জুড়ে শুরু করেন ‘দিদিকে বল’ জনসংযোগ কর্মসূচি। এই কর্মসূচিতে পথে নামে রাজ্যের তৃণমূল নেতা, বিধায়ক, সাংসদরা।

জেলায় জেলায় চলে জনসংযোগ। যখন প্রশ্ন 2021 এর বিধানসভা ভোট, তখন বিজেপিই বা পিছিয়ে থাকবে কেন? তাই বিজেপিও নেমে পড়ল জনসংযোগ কর্মসূচিতে। তবে এই জনসংযোগ কর্মসূচিতে গিয়ে তৃণমূল যেমন বিভিন্ন অভিযোগের মুখোমুখি হয়, দিলীপ ঘোষও জনসংযোগে বেরিয়ে সেরকমই প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন।

এদিন দিলীপ ঘোষ রাজাভাতখাওয়া বনবস্তিতে গিয়ে স্হানীয় বাসিন্দার কাছে এনআরসি নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন। দলেরই এক কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজন সেরে রাজ্য বিজেপি সভাপতি জনসংযোগে বেরোলে স্থানীয় মহিলা অনিভা কর সোজাসুজি বিজেপি সভাপতির কাছে প্রশ্ন রাখেন, তার কোনো বৈধ নথিপত্র নেই। পাঁচ মাস আগে তাঁর স্বামী মারা গেছেন। তাহলে কি তাঁর সন্তানদের নিয়ে তাঁকে এ দেশ থেকে চলে যেতে হবে? এনআরসির কারণে

এই প্রশ্ন শুনে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ প্রাথমিক অবস্থায় বেশ হকচকিয়ে যান। পরমুহূর্তে অবস্থা সামাল দেন যে কথার উপর ভিত্তি করে, তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে উঠেছে বিতর্কের ঝড়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

অনিভা কর এদিন দিলীপ ঘোষকে জানান, 93 সালের বন্যায় তাঁদের সমস্ত নথিপত্র ভেসে গেছে। এবার তাঁদের কি হবে? উত্তরে দিলীপ ঘোষ যা বললেন তার মর্মার্থ হল, নথির প্রয়োজন নেই। তাঁরা বললেই এদেশে থাকা যাবে। তালিকায় নাম থাকবে।

দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্যকে হাতিয়ার করে তৃণমূল তীব্র প্রতিবাদ শুরু করেছে। এ ঘটনায় তৃণমূলের বক্তব্য, নথি থাকা সত্ত্বেও আসামের 19 লক্ষ মানুষ গৃহহীন হয়েছে। সেখানে দিলীপ ঘোষ কিভাবে বলছেন নথির কোন প্রয়োজন নেই। অন্যদিকে তৃণমূলের আরেক অংশ বলছে, রাজ্য বিজেপি সভাপতি এনআরসি নিয়ে তাঁদের অস্বস্তি ও বিক্ষোভ এড়াতেই এ ধরনের গা বাঁচানো কথা বলেছেন।

তবে বিতর্ক কিন্তু রয়েই যাচ্ছে। তৃণমূল শিবিরের দাবি, এ রাজ্যে এনআরসি তাহলে কি বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে হবে? বৈধ নথি না থাকা সত্ত্বেও কি বাস করা যাবে এ রাজ্যে? থাকা যাবে এই দেশে? অন্তত এদিন রাজ্য বিজেপি সভাপতির কথায় এটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিজেপি শিবির অবশ্য প্রথম দিন থেকেই এনআরসির দাবি জানিয়ে এসেছে। তাঁদের যুক্তি, অনুপ্রবেশ আটকাতে এনআরসি ছাড়া আর কোনো রাস্তা নেই। নিজের কথা প্রসঙ্গে আপাতত কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!